মোদীর ব্যঙ্গাত্মক আক্রমণ, বিরোধীদের মধ্যে অস্থিরতা

মোদীর ব্যঙ্গাত্মক আক্রমণ! কেরলের তিরুবনন্তপুরমে ভিঝিনজাম সমুদ্র বন্দরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিরোধী দলের নেতাদের উদ্দেশে একটি তীব্র ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেন, যা রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। কেরলের বাম সরকারের…

May 3, 2025
1 min read

মোদীর ব্যঙ্গাত্মক আক্রমণ!

কেরলের তিরুবনন্তপুরমে ভিঝিনজাম সমুদ্র বন্দরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিরোধী দলের নেতাদের উদ্দেশে একটি তীব্র ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেন, যা রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। কেরলের বাম সরকারের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং তিরুবনন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুর এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে মোদী বিরোধী শিবিরকে লক্ষ্য করে নিজের আক্রমণ শানান।

পহেলগাঁও হামলার পর পাকিস্তানকে প্রত্যাঘাতের বিষয়ে বিরোধীরা একজোট হয়ে মোদী সরকারের পাশে দাঁড়ালেও, আজ সেই বিরোধীদেরকেই প্রধানমন্ত্রী ব্যঙ্গাত্মকভাবে আক্রমণ করেন। মোদী তাঁর বক্তৃতায় বলেন, “কেরলের মুখ্যমন্ত্রী ইন্ডিয়া জোটের শক্তিশালী স্তম্ভ। আপনি এখানে রয়েছেন, শশী তারুর বসে আছেন। এই অনুষ্ঠান অনেকেরই ঘুম ছুটিয়ে দেবে!” এ কথা বলার পর, মোদী হাসতে হাসতে বলেন, “বার্তা যেখানে যাওয়ার গিয়েছে।” তাঁর এই মন্তব্যে উপস্থিত সবাই হাসিতে ফেটে পড়েন, কিন্তু এটি বিরোধী শিবিরে উত্তেজনা সৃষ্টি করে।

প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরে কংগ্রেসের সাংগঠনিক সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল পাল্টা আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিরোধীরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরকারের পাশে দাঁড়াচ্ছে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদের অপমান করছেন। এটা তাঁর মানসিকতা।’’ কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরা বলেন, ‘‘দেশের শত্রুরা হয়তো হাসছে, আর প্রধানমন্ত্রী দেশের ভাবমূর্তি খারাপ করছেন।’’

ভিঝিনজাম বন্দরের উদ্বোধন উপলক্ষে সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপির নেতারা এক মঞ্চে উপস্থিত থাকলেও, রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। কংগ্রেস এবং বিরোধীরা যখন আদানি গোষ্ঠীর কাছে সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ তুলছিল, তখন প্রধানমন্ত্রী মোদী সিপিএম সরকারের সঙ্গে আদানির যৌথ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “দেশের উন্নয়নের জন্য সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ জরুরি,” এবং পিনারাই বিজয়নকে মনে করিয়ে দেন যে, রাজ্য সরকার এই প্রকল্পে ৬০ শতাংশ অর্থ দিচ্ছে, কেন্দ্রের অবদান তুলনামূলক কম।

এছাড়া, শশী তারুরও এই প্রকল্পের কাজের শুরু কেরলের কংগ্রেস সরকারের আমলে হয়েছিল, এটি উল্লেখ করে মোদী সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখরও, যা নিয়ে কেরলের বাম সরকারের পর্যটন মন্ত্রী পি এ মহম্মদ রিয়াস অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নির্দেশে বিজেপি নেতার উপস্থিতি অগণতান্ত্রিক।

এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক দলের মধ্যে চোরাস্রোত চলছে, যা আগামী বছরের কেরল বিধানসভা নির্বাচনে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

কাশ্মীরে টানা ৮ দিন সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন, পাঁচ জায়গায় গুলি পাক সেনার! পাল্টা জবাব দিল ভারতীয় সেনাও

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *