মেসি বনাম রোনাল্ডো!
মাঠে দুই মহাতারকার দ্বৈরথ বহু বছরের। এ বার সেই লড়াইয়ের রেশ দেখা গেল মাঠের বাইরেও। নিলামে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর জার্সিকে বড় ব্যবধানে পিছনে ফেলল লিয়োনেল মেসির জার্সি। দামের পার্থক্য প্রায় ছ’গুণ।
কত দামে বিক্রি হল দুই জার্সি?
| ফুটবলার | জার্সির সময়কাল | ব্যবহার | নিলামে দাম |
|---|---|---|---|
| লিয়োনেল মেসি | ২০১২ | ম্যাচে পরা | ₹৬৩.৫৬ লক্ষ |
| ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো | ২০১৪-১৫ | ওয়ার্ম-আপে পরা | ₹১০.১৯ লক্ষ |
মেসির জার্সিটি ছিল ২০১২ সালের অগস্টে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে খেলা একটি প্রদর্শনী ম্যাচের। ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার তৎকালীন সতীর্থ জেরার্ড পিকের মাধ্যমে জার্সিটি পেয়েছিলেন ম্যাঞ্চেস্টারের ম্যাসিয়োর রড থর্নলি। পরে মেসি তাতে সইও করেন।
অন্য দিকে, রোনাল্ডোর জার্সিটি ছিল রিয়াল মাদ্রিদের ২০১৪-১৫ মরসুমের। তবে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হল, রোনাল্ডো সেটি ম্যাচে পরে খেলেননি; ওয়ার্ম-আপের সময় পরেছিলেন। সম্ভবত সেই ব্যবহারের পার্থক্যও নিলামে জার্সি দু’টির দামে প্রভাব ফেলেছে।
মেসির জার্সির নেপথ্যে মজার গল্প
থর্নলির কথায়, ম্যাচের দু’দিন আগে তিনি পিকেকে মেসেজ করে মেসির একটি জার্সি চেয়েছিলেন। ম্যাচের পর পিকে তাঁকে ম্যাঞ্চেস্টারের সাজঘর থেকে বার্সেলোনার সাজঘরে নিয়ে যান। সেখানেই মেসির সই করা জার্সিটি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
ফলে শুধু দামেই নয়, মেসির জার্সিটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মাঠের স্মৃতি এবং সংগ্রাহকের কাছে বিশেষ ঐতিহাসিক মূল্যও। সেই কারণেই নিলামে রোনাল্ডোর জার্সির তুলনায় এত বড় ব্যবধানে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী অধিনায়কের স্মারক।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।