মূলধারার বিনোদনমূলক ছবিই সব জায়গায় ইন্ডাস্ট্রিকে টেনে নিয়ে যায়! আড্ডায় বসে অকপট বার্তা জিতের

মূলধারার বিনোদনমূলক ছবিই সব জায়গায় ইন্ডাস্ট্রিকে টেনে নিয়ে যায়! প্রায় দু’বছর পর বড়পর্দায় ফিরছেন জিৎ। নতুন ছবিতে একাধিক লুকে দেখা যাবে তাঁকে। ছবি মুক্তির আগে আনন্দবাজার ডট কমের সঙ্গে আড্ডায়…

August 14, 2026
1 min read

মূলধারার বিনোদনমূলক ছবিই সব জায়গায় ইন্ডাস্ট্রিকে টেনে নিয়ে যায়!

প্রায় দু’বছর পর বড়পর্দায় ফিরছেন জিৎ। নতুন ছবিতে একাধিক লুকে দেখা যাবে তাঁকে। ছবি মুক্তির আগে আনন্দবাজার ডট কমের সঙ্গে আড্ডায় বসে সিনেমা, অভিনয়, আধ্যাত্মিকতা এবং বাণিজ্যিক ছবির গুরুত্ব নিয়ে অকপট কথা বললেন অভিনেতা।

প্রায় দু’বছর পর বড়পর্দায় ফিরছেন জিৎ। সাধারণত ছবি মুক্তির সময় ছাড়া সাক্ষাৎকার দিতে খুব একটা দেখা যায় না তাঁকে। নিজেকে আড়ালে রাখতেই পছন্দ করেন অভিনেতা। তবে নতুন ছবির প্রচারে সমাজ, সিনেমা এবং নিজের অভিনয় নিয়ে খোলামেলা আড্ডায় বসেছিলেন তিনি।

প্রশ্ন: মিডিয়ার সঙ্গে খুব বেশি যোগাযোগ রাখেন না— এমন অভিযোগ রয়েছে। কেন?

জিৎ: আমি যোগাযোগ রাখতে চাই। ছবি মুক্তি পেলেই যোগাযোগ করি। অকারণে কিছু বলতে পছন্দ করি না। তবে আমি জানি, আমিও মিডিয়ার অংশ, মিডিয়াও আমাদের অংশ। তাই বছরে বেশি বেশি ছবি করার চেষ্টা করি।

প্রশ্ন: আপনি আধ্যাত্মিক মানুষ। জীবনের সঙ্গে আধ্যাত্মিকতাকে কী ভাবে মেলান?

জিৎ: আমি আধ্যাত্মিক। আমার পরিবারের সকলেই আধ্যাত্মিকতায় বিশ্বাসী। বিষয়টি প্রত্যেকের কাছে আলাদা। ঈশ্বরের কাছে গিয়ে যেমন অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়, তেমনই সংসারের মধ্যেও তা সম্ভব। সংসারের মধ্যে থেকে নিজের সব কর্তব্য পালন করতে পারার চেয়ে বড় আধ্যাত্মিক জায়গা আর নেই।

প্রশ্ন: প্রায় দু’বছর পর ফেরার ছবিতে একটি সংলাপ নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা হচ্ছে। সেটি কি আপনার ফেরার বার্তা?

জিৎ: সিনেমার ক্ষেত্রে দর্শক আমার সঙ্গে মেলাতে পারেন। বাকি ক্ষেত্রে যাঁর যেমন বোঝার, বুঝুন। সংলাপটা হল— ‘‘জঙ্গলে হায়না আর শেয়ালদের উৎপাত বেড়েছে, তাই এই সিংহকেই ফিরে আসতে হল!’’

প্রশ্ন: এ বার একটু অন্য ধরনের ছবি করেছেন। কমফোর্ট জ়োন থেকে বেরিয়ে আসতেই কি দেশাত্মবোধক ছবি বেছে নিলেন?

জিৎ: এটাও একেবারে বাণিজ্যিক ছবি। আর পাঁচটা বাণিজ্যিক ছবির মতোই। প্রথম ফ্রেম থেকে শেষ ফ্রেম পর্যন্ত বিনোদনে ভরপুর। টিজ়ার এবং গান দেখে দর্শক বলছেন, অন্য জিৎকে দেখা যাচ্ছে। শিল্পী হিসাবে আমি চাই, প্রত্যেকটি গল্পে দর্শক আমাকে আলাদা ভাবে দেখুন।

‘শেষ থেকে শুরু’-তে বাংলাদেশি মুসলিম চরিত্র এবং ‘খাকি, দ্য বেঙ্গল চ্যাপ্টার’-এ অর্জুন মৈত্রের মতো চরিত্রের উদাহরণ দিয়ে জিৎ বলেন, শিল্পী হিসাবে তাঁর কাছে চরিত্রের বৈচিত্র্যই গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন: অনন্ত সিংহের জীবন থেকে সবচেয়ে আকর্ষণীয় কী পেয়েছেন?

জিৎ: তাঁর জীবনের সংঘর্ষ এবং বলিদান নজর করার মতো। এই ধরনের চরিত্র যে কোনও অভিনেতাই করতে চাইবেন। একটি চরিত্রের মধ্যেই এত রকম স্বাদ পেয়েছি, যা আমার সঙ্গে থেকে যাবে।

প্রশ্ন: ছবিতে ৯টি আলাদা লুক এবং প্রস্থেটিক মেকআপ— কতটা কঠিন ছিল?

জিৎ: প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল প্রস্থেটিক মেকআপ আর্টিস্ট এবং ড্রেসারের। আমার চ্যালেঞ্জ ছিল চিত্রনাট্য অনুযায়ী চরিত্র তৈরি করা। আলাদা লুকের জন্য হোমওয়ার্ক করেছি। চরিত্র অনুযায়ী শরীরী ভাষা বদলাতে হয়েছে, কণ্ঠস্বরেও পরিবর্তন আনতে হয়েছে।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow
Explore More on These Topics

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *