মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ঘুরপথে ইউক্রেনকে ‘মস্কো’!
দ্য ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস এবং অন্যান্য সূত্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪ জুলাই এক ফোনালাপে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে, দীর্ঘ-পরিসরের অস্ত্র দিলে তারা কি মস্কো বা সেন্ট পিটার্সবার্গের উপর আক্রমণ চালাতে সক্ষম হবে কিনা । বলা হচ্ছিল এটি হতে পারে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার কূটনৈতিক ‘ঘুরপথ’। তবে পরবর্তীতে ট্রাম্প পরিস্কার করে বলেছিলেন, “না, মস্কোকে আক্রমণ করেছে ঠিক হবে না,” এবং জানিয়েছিলেন তারা এই ধরণের দূর-পরিসরের অস্ত্র পৌছানোর পরিকল্পনা করছে না ।
কেন এমন পরিকল্পনা?
- ট্রাম্প ৫০ দিনের মধ্যে যদি পুতিন শান্তি আকারে নিয়ে না নেয়, তবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর শুল্ক ব্যাজ (tariffs) আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন ।
- একইসঙ্গে, মার্কিন অভ্যন্তরে এবং নেটোর মাধ্যমে ইউক্রেনে Patriot সিস্টেমসহ উন্নত সামরিক সহায়তা পাঠানোর প্রক্রিয়া চলেছিল ।
- বিশ্লেষকরা বলছেন, দূর-পরিসরের অস্ত্র প্রয়োগের কথা ভেবে ইউক্রেনকে একাজে ব্যবহার করে নেতার ইচ্ছাকে সংঘাতের ময়দান থেকে সরিয়ে কূটনৈতিক চাপ তৈরি করা হতে পারে ।
ট্রাম্পের বদল: মাঠ থেকে ঘোষণা?
- প্রথমে ট্রাম্প শান্তি ও বৈদেশিক হস্তক্ষেপ বন্ধের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছিলেন, কিন্তু সাম্প্রতিক হুমকি ও অস্ত্র এক্সপোর্ট পরিকল্পনা সেই অবস্থান থেকে ১৮০° পাল্টে দিয়েছে ।
- জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, “আমি কারো পাশে নেই, আমি মানবতার পাশে,” শান্তি আনতেই তাঁর অবস্থান ।
পুতিন, রাশিয়া এবং উত্তেজনা:
- রাশিয়া বলছে, এই পরিকল্পনা ধাপেই “খেলা চলতে পারে সংকটপূর্ণ” এবং হামলা হলে তারা “যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ” হিসেবে প্রতিহিংসা করতে পারেন ।
- ইউক্রেনে এখন ট্রাম্প ও নেটোর অস্ত্রকৌশল ভিত্তিক সহায়তা, রাশিয়ার বিরুদ্ধে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তির একটি নতুন আক্রমণাত্মক ছবি তৈরি করছে।
সংক্ষেপে:
ইউএসে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ, অস্ত্র মজুদ ও শুল্ক হুমকির মধ্যেই স্পষ্ট হচ্ছে—পুতিনের উপর চাপ বাড়ানোর নতুন কূটনীতি ব্যবহারে শুরু হয়েছে কূটনৈতিক খেলা। তবে এই স্তরে এই রহস্যময় বাইপাস পথে মস্কো আক্রমণের সম্ভাবনা তীব্রই রয়ে গেল।
ভারতের নিজস্ব এআই-স্মার্টফোন ‘NxtQuantum OS’ উন্মোচন – স্বনির্ভরতা ও গোপনীয়তার প্রতিশ্রুত