মমতার ঘাঁটিতেই চ্যালেঞ্জ
ভবানীপুরের রাজনৈতিক লড়াই ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-র নিজের কেন্দ্রেই এবার সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বিজেপি প্রার্থী Suvendu Adhikari। রবিবার পটুয়াপাড়ায় এক পথসভা থেকে তিনি প্রতিশ্রুতি দিলেন—জিতলে শুধু বিধায়কই হবেন না, এলাকার মানুষের জন্য গড়ে তুলবেন একাধিক বিধায়ক কার্যালয়।
মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছেই ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে আয়োজিত এই সভা থেকেই মূলত আক্রমণের সুর চড়ান শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ “বিধায়ক পরিষেবা” বলতে কী বোঝায়, তা দেখেননি। সেই অভাব পূরণ করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “আমি ভবানীপুরেই থেকে কাজ করব, আপনাদের পরিষেবা দেব।”
শুধু একটি অফিস নয়, গোটা বিধানসভা জুড়ে পরিষেবার পরিকাঠামো গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, ভবানীপুরের আটটি ওয়ার্ডেই আলাদা করে বিধায়ক কার্যালয় তৈরি করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে ঘুরতে না হয়। তাঁর বক্তব্য, “আপনাদের আর কোনও সমস্যায় পড়তে হবে না।”
এই সভার রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে এর অবস্থানের জন্য। পটুয়াপাড়ার যে জায়গায় এই কর্মসূচি, তার খুব কাছেই রয়েছে Abhishek Banerjee-র কার্যালয়। ফলে কার্যত তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটির মধ্যেই দাঁড়িয়ে এই বার্তা দিল বিজেপি।
ভবানীপুরে বিজেপির নজর নতুন নয়। ২০১৪ ও ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রের ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে এগিয়েছিল বিজেপি। সেই ফলের পুনরাবৃত্তিই এ বার লক্ষ্য বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।
পটুয়াপাড়ার সভা শেষ করে শুভেন্দু তাঁর প্রচার চালিয়ে যান ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে। সদর স্ট্রিট, কিড স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিট এবং টটি রোড ঘুরে জনসংযোগ করেন তিনি। এই পথে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় তাঁকে, বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের মধ্যেও পৌঁছনোর চেষ্টা ছিল স্পষ্ট।
সব মিলিয়ে, ভবানীপুরে লড়াই যে শুধু প্রতীকী নয়, বরং সরাসরি রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের লড়াই—তা আরও একবার পরিষ্কার করে দিল রবিবারের এই প্রচার। এখন দেখার, ভোটের ফলাফলে এই প্রতিশ্রুতি ও আক্রমণ কতটা প্রভাব ফেলে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?