মমতার মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসা নিয়ে আইনি নোটিস, তিন চিকিৎসকের কাছে জবাব চাইলেন আইনজীবী

মমতার মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসা নিয়ে আইনি নোটিস! ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-কাণ্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের চোটের পুরনো মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর নতুন করে বিতর্ক। রিপোর্ট প্রকাশের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে…

October 5, 2026
1 min read

মমতার মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসা নিয়ে আইনি নোটিস!

২০২১ সালের নন্দীগ্রাম-কাণ্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ের চোটের পুরনো মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর নতুন করে বিতর্ক। রিপোর্ট প্রকাশের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে এসএসকেএম ও বাঙুর ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সেসের তিন চিকিৎসককে আইনি নোটিস পাঠালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী অর্ক নাগ।

সোমবার সকালে এসএসকেএম-এর অধিকর্তা মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায়, এমএসভিপি পীযূষকুমার রায় এবং বাঙুর ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসায়েন্সেসের নিউরোলজি বিভাগের প্রধান অতনু বিশ্বাসের কাছে দু’পাতার চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আইনজীবীর প্রশ্ন, মমতার অনুমতি ছাড়া তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি কী ভাবে প্রকাশ্যে এল।

এই বিতর্কের সূত্রপাত গত শুক্রবার। নন্দীগ্রামে ভোটের প্রচারে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ২০২১ সালের মমতার পায়ের চোট নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি ছিল, তাঁর কাছে সেই সময়কার মেডিক্যাল নথি রয়েছে। পরের দিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বাঙুর ইনস্টিটিউটের একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনেন। রিপোর্টে ‘ফ্র্যাকচার বা ডিসলোকেশনের কোনও প্রমাণ নেই’ বলে উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এর পরেই রিপোর্ট প্রকাশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। মমতার আইনজীবীর বক্তব্য, কোনও সরকারি সংস্থা বা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ আইন মেনে চিকিৎসা-নথি হাতে পেলেও তা প্রকাশ্যে আনার স্বয়ংক্রিয় অধিকার তৈরি হয় না। চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়েছে, রিপোর্টগুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কী ভাবে পৌঁছল এবং তা দেওয়ার আগে কোনও আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল কি না।

আইনজীবীর আরও দাবি, অসম্পূর্ণ বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে চিকিৎসা-তথ্য প্রকাশ করা হয়ে থাকলে তার ব্যাখ্যা দিতে হবে। ভবিষ্যতে মমতার চিকিৎসা-সংক্রান্ত গোপনীয়তা যাতে লঙ্ঘিত না হয়, সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।

এর আগে তৃণমূলের কুণাল ঘোষও চিকিৎসা-নথি প্রকাশ্যে আসা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। অন্য দিকে, শুভেন্দুর দাবি ঘিরে সরকার তদন্তের কথা জানিয়েছে। ফলে একই নথিকে কেন্দ্র করে এক দিকে ২০২১ সালের চোটের প্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন, অন্য দিকে ব্যক্তিগত চিকিৎসা-তথ্য প্রকাশের বৈধতা—দুই পৃথক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

২০২১ সালের ১০ মার্চ নন্দীগ্রামে প্রচারের সময় আহত হওয়ার পর মমতাকে কলকাতায় এসএসকেএমে নিয়ে আসা হয়েছিল। পরে বাঙুরে তাঁর এমআরআই করা হয় এবং সে সময় হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে পায়ের গোড়ালিতে গুরুতর আঘাতের কথা জানানো হয়েছিল।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *