মমতার কড়া বার্তা: জনজাতি এলাকায় মন্ত্রীদের পৌঁছনোর নির্দেশ, এসসি-এসটি তালিকায় অযোগ্যদের নাম খতিয়ে দেখার নির্দেশ মুখ্যসচিবকে

মমতার কড়া বার্তা! রাজ্যের জনজাতি উন্নয়ন নিয়ে সোমবার নবান্নে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি মন্ত্রীদের জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় আরও বেশি করে যাওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে এসসি-এসটি…

August 25, 2025
1 min read

মমতার কড়া বার্তা!

রাজ্যের জনজাতি উন্নয়ন নিয়ে সোমবার নবান্নে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি মন্ত্রীদের জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় আরও বেশি করে যাওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে এসসি-এসটি তালিকায় অযোগ্যদের নাম কেন রয়েছে, তা দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, এই তালিকায় যেন কোনও অযোগ্য ব্যক্তির নাম না থাকে এবং এ বিষয়ে দ্রুত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

সূত্রের খবর, বৈঠকে এক মন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীকে জানান যে তালিকায় অনেক অযোগ্য নাম রয়ে গিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শুনে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনকে সজাগ থাকার বার্তা দেন। তিনি নির্দেশ দেন, জনজাতি অংশের মানুষ যেন বনাঞ্চলের অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন এবং তাঁদের জমি সুরক্ষিত থাকে।

বৈঠকে আরও আলোচনা হয় এসসি-এসটি সম্প্রদায়ের শংসাপত্র পাওয়ার অসুবিধা এবং সম্প্রতি ঝাড়গ্রামের একটি স্কুলের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে অলচিকি লিপি না থাকা সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়েও। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, সরকার স্বীকৃতি দেওয়ার পরেও এই ধরনের অবহেলা অগ্রহণযোগ্য।

রাজনৈতিক মহলে বৈঠকের গুরুত্বও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ভোটের আগে জঙ্গলমহল এলাকায় মন্ত্রীদের সক্রিয়তা বাড়ানোর নির্দেশ তৃণমূলের সংগঠনিক কৌশলের অংশ বলেই মনে করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই জনজাতি অধ্যুষিত অঞ্চল থেকে তৃণমূল সমর্থন হারালেও, ২০২১ এবং সাম্প্রতিক ভোটে বিজেপিকে সরিয়ে ফের প্রভাব বিস্তার করেছে শাসক দল। ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ার মতো আসন পুনরুদ্ধার করেছে তৃণমূল।

বৈঠকে উপস্থিত এক তৃণমূল প্রতিনিধি জানান, “আমাদের সরকার জনজাতি ও তফসিলি সম্প্রদায়ের জন্য বহু প্রকল্প চালু করেছে, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সেগুলির প্রচার পৌঁছায়নি। এবার তার ওপর জোর দিতে বলা হয়েছে।” মমতা চান, শুধু প্রকল্পের প্রচার নয়, মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ুক, যেন মন্ত্রীদের সঙ্গে জনগণের দূরত্ব না তৈরি হয়।

বৈঠকে বিজেপির আমন্ত্রিত প্রতিনিধিরা, সাংসদ খগেন মুর্মু এবং প্রাক্তন সাংসদ দশরথ তিরকে, উপস্থিত ছিলেন না। অনুপস্থিত ছিলেন ঝাড়গ্রামের তৃণমূল সাংসদ কালীপদ সোরেনও। তবে বৈঠকে শাসক দলের উপস্থিতি এবং মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশ জনজাতি উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক বার্তা উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্ব বহন করছে।

থাইরয়েডের সমস্যায় কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলা জরুরি?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *