মঞ্চে পরিচালকের বক্তৃতা শুনলেন রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি সচিব শান্তনু বসু, সিনেমা নিয়ে ভাবনার বার্তা

মঞ্চে পরিচালকের বক্তৃতা শুনলেন রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি সচিব শান্তনু বসু! শিল্প-সংস্কৃতির সঙ্গে সরকারি আধিকারিকদের সরাসরি যোগাযোগ সব সময় দেখা যায় না। তবে সম্প্রতি এক ভিন্ন দৃশ্য দেখা গেল কলকাতায়।…

July 16, 2025
1 min read

মঞ্চে পরিচালকের বক্তৃতা শুনলেন রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি সচিব শান্তনু বসু!

শিল্প-সংস্কৃতির সঙ্গে সরকারি আধিকারিকদের সরাসরি যোগাযোগ সব সময় দেখা যায় না। তবে সম্প্রতি এক ভিন্ন দৃশ্য দেখা গেল কলকাতায়। রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিব শান্তনু বসু স্বয়ং মঞ্চে উপস্থিত থেকে শুনলেন এক পরিচালকের বক্তব্য। সিনেমা এবং শিল্প-সংস্কৃতি নিয়ে সচেতনতার এই বার্তা নজর কাড়ল শিল্পমহলেরও।

সম্প্রতি কলকাতায় একটি সিনেমা সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তনু বসু। সেখানে এক নামী পরিচালক মঞ্চে উঠে তাঁর বক্তব্য রাখতে শুরু করেন। সিনেমা তৈরির নানা দিক, নতুন প্রজন্মের নির্মাতাদের ভাবনা এবং বাংলা ছবির বর্তমান বাজার নিয়ে নিজের কথা বলছিলেন তিনি। আর সেই সময় প্রথম সারিতে বসে মন দিয়ে কথা শুনছিলেন সচিব নিজে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকে জানান, সচিবের এই উপস্থিতি এবং মনোযোগ দেখে বেশ খুশি হয়েছেন শিল্পীরা। সচিব শুধু শুনে গিয়েছেন তা-ই নয়, শেষে পরিচালক এবং অন্য কলাকুশলীদের সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায় তাঁকে। রাজ্যের তরফে কী ভাবে বাংলা ছবিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, সে দিকেও আলাপ-আলোচনা হয়।

শান্তনু বসু নিজে বলেন, “তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর শুধু ফাইল চালানো নয়। আমরা চাই শিল্পী, পরিচালক, কলাকুশলী, সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে। বাংলা ছবি এবং সংস্কৃতি বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এখনকার নতুন পরিচালকরা অনেক নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করছেন। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। সরকারি তরফে সহযোগিতা করার চেষ্টা সব সময়ই থাকবে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আরও বেশ কয়েকজন চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও অভিনেতারা। নতুন পরিচালকরা তাঁদের কাজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন, সরকারি সহায়তা কী ভাবে আরও সহজ করা যায় তা নিয়েও খোলামেলা আলোচনা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক তরুণ নির্মাতা জানান, “সচিব মহাশয়ের মতো কেউ যদি আমাদের কথা শোনেন, সেটা অনেক বড় অনুপ্রেরণা। অনেক সময় ছোট ছোট সমস্যায় আমরা আটকে যাই। সরকারের তরফে যদি সরাসরি সাহায্য পাই, তাহলে আরও ভাল ছবি বানাতে পারব।”

অনেকেই বলছেন, আগে এমন ভাবে সচিব বা সরকারি আধিকারিকদের এই ধরনের শিল্প-সংস্কৃতি সভায় সরাসরি উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি। ফলে এটা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক উদ্যোগ।

বাংলা সিনেমার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও এ দিন বেশ কিছু কথা হয়। অনেকে বলেন, ওটিটি প্ল্যাটফর্মের বাড়বাড়ন্তে প্রেক্ষাগৃহে ছবি দেখা অনেকটা কমে গিয়েছে। তবু বাংলা ছবির আলাদা একটা আবেগ রয়েছে। সেই আবেগকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে শুধু ব্যবসায়িক লাভের দিক না দেখে শিল্পমানকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

শেষে অনুষ্ঠান শেষে সচিব শান্তনু বসু বলেন, “এই ধরনের আলোচনার মাধ্যমে শুধু সিনেমা নয়, সামগ্রিক ভাবে রাজ্যের সংস্কৃতি আরও সমৃদ্ধ হবে। আগামী দিনেও এমন উদ্যোগে আমি এবং দফতর পাশে থাকব।”

সব মিলিয়ে, সিনেমার জগৎ ও সরকারি মহলের এই সরাসরি সংলাপ নতুন দিশা দেখাল বলেই মনে করছেন শিল্প মহলের অনেকে।

ফ্লিপকার্ট ও অ্যামাজনে ধামাকা ডিসকাউন্টে বাজেট স্মার্টফোনের দারুণ অফার চলেছে—নিচে কিছু হাইলাইট আর শীর্ষ—৪ ফোনের তালিকা দেয়া হলো

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *