ভোটার তালিকায় বড় ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা: আরও ১০ লক্ষ নাম বাদ যেতে পারে, দেরি হতে পারে চূড়ান্ত তালিকা

ভোটার তালিকায় বড় ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা! রাজ্যের ভোটার তালিকা ঘিরে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে। ইতিমধ্যেই মৃত, অনুপস্থিত বা নিখোঁজ হিসেবে প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এবার শুনানির…

February 20, 2026
1 min read

ভোটার তালিকায় বড় ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা!

রাজ্যের ভোটার তালিকা ঘিরে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে। ইতিমধ্যেই মৃত, অনুপস্থিত বা নিখোঁজ হিসেবে প্রায় ৫৮ লক্ষ নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এবার শুনানির পর্বে আরও প্রায় ১০ লক্ষ ভোটারের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

শুনানিতে অনুপস্থিত ও ‘অযোগ্য’ নথি

সূত্রের খবর, শুনানির সময় প্রায় ৭ লক্ষ ভোটার হাজিরই হননি। আবার অনেকের জমা দেওয়া নথিকে ‘অযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন কমিশন নিযুক্ত মাইক্রো অবজ়ার্ভারেরা। ইতিমধ্যেই প্রায় ৪ লক্ষের বেশি নথিকে বাতিল হিসেবে চিহ্নিত করে পাঠানো হয়েছে নির্বাচন কমিশন-এর কাছে।

শুধু তাই নয়, এখনও বিপুল সংখ্যক নথির যাচাই বাকি রয়েছে। জেলাশাসকদের কাছে প্রায় ৪.৬ লক্ষ নথি পড়ে আছে, আর প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নথি নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি।

তালিকা প্রকাশ পিছোবে?

সুপ্রিম কোর্ট-এর নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। কিন্তু কাজের পরিমাণ এবং যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়ায় সেই সময়সীমা বজায় রাখা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

সিইও দফতরের সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব নথি যাচাই শেষ না হলে কমিশনের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন জানানো হতে পারে।

কীভাবে চলছে যাচাই প্রক্রিয়া

শুনানিতে জমা দেওয়া নথিগুলি প্রথমে মাইক্রো অবজ়ার্ভারেরা পরীক্ষা করছেন। এরপর প্রয়োজন হলে সেগুলি পাঠানো হচ্ছে ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) ও সহকারী অফিসারদের কাছে পুনরায় যাচাইয়ের জন্য।

এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩০ লক্ষ নথি পুনরায় যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। এই বিশাল কাজ শেষ করতে সময় লাগবে বলেই মনে করছেন প্রশাসনিক কর্তারা।

নথি নিয়ে নতুন বিতর্ক

বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় মোট ১৩ ধরনের নথিকে গ্রহণযোগ্য বলে জানিয়েছিল কমিশন। আদালতও নির্দেশ দেয়— এই তালিকার বাইরে কোনও নথি গ্রহণ করা যাবে না।

কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে তালিকার বাইরে থাকা নথিও জমা নেওয়া হয়েছে। ফলে সেই নথি গ্রহণযোগ্য কি না তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে, এবং তাঁদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

অনিশ্চয়তায় বহু ভোটার

এই দীর্ঘ যাচাই প্রক্রিয়ার ফলে বহু ভোটারের ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত। কেউ শুনানিতে হাজির হতে পারেননি, কেউ আবার নথি সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে আছেন।

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি স্পষ্ট— যাচাইয়ের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোটার তালিকার চূড়ান্ত ছবি সামনে আসবে না। আর সেই কারণেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তালিকা প্রকাশ নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় সংশয়।

প্রোটিন শেক নয়, ‘ঘরোয়া খিচুড়ি’ই ভরসা: শরীরচর্চার পরে হৃতিক রোশন যা খান, জানলে চমক লাগবেই

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *