ভবানীপুর মামলার শুনানির আগে বিচারপতির স্পষ্ট বার্তা, ‘আমার দাদা বিজেপির মুখপাত্র’

ভবানীপুর মামলার শুনানির আগে বিচারপতির স্পষ্ট বার্তা! ভবানীপুর বিধানসভা নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ করে করা মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার এক বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকল Calcutta High Court। শুনানি শুরুর আগেই বিচারপতি Gouranga…

June 23, 2026
1 min read

ভবানীপুর মামলার শুনানির আগে বিচারপতির স্পষ্ট বার্তা!

ভবানীপুর বিধানসভা নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ করে করা মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার এক বিরল ঘটনার সাক্ষী থাকল Calcutta High Court। শুনানি শুরুর আগেই বিচারপতি Gouranga Kanth নিজে থেকে জানিয়ে দেন যে তাঁর দাদা Bharatiya Janata Party-র সর্বভারতীয় মুখপাত্র। পরে যাতে কোনও পক্ষ পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ না তোলে, সেই কারণেই তিনি বিষয়টি আদালতে প্রকাশ করেন।

বিচারপতি বলেন, মামলার মূল শুনানিতে যাওয়ার আগে তিনি একটি বিষয় স্পষ্ট করতে চান। তাঁর দাদা বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র এবং এ বিষয়ে কোনও পক্ষের আপত্তি থাকলে তা জানাতে পারেন।

মামলাকারী Mamata Banerjee-র পক্ষে উপস্থিত আইনজীবী Kalyan Banerjee বিচারপতির প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বিচারব্যবস্থার উপর তাঁর শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস রয়েছে এবং বিচারপতির এজলাসে মামলা চালাতে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। এরপরই মামলার শুনানি শুরু হয়।

কী অভিযোগ তুললেন মমতার আইনজীবী?

শুনানিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ভবানীপুরে ভোটগ্রহণের চেয়ে বেশি অনিয়ম হয়েছে ভোটগণনার সময়। তাঁর অভিযোগ—

  • গণনাকেন্দ্র থেকে কাউন্টিং এজেন্টকে মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছিল।
  • প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পর্যন্ত গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
  • ২০২১ সালের Nandigram নির্বাচনের বিতর্কিত রিটার্নিং অফিসারকেই ভবানীপুরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
  • ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় বিপুল সংখ্যক নাম বাদ গিয়েছিল, যার প্রভাব ফলাফলে পড়তে পারে।

তিনি আদালতের কাছে দ্রুত শুনানির আবেদনও জানান, কারণ নির্বাচনী পিটিশনের নিষ্পত্তি অনেক সময় দীর্ঘসূত্রিতার শিকার হয়।

আদালতের নির্দেশ

শুনানি শেষে বিচারপতি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, নির্বাচন-সংক্রান্ত সমস্ত প্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে—

  • সিসিটিভি ফুটেজ
  • ব্যালট ইউনিট
  • কন্ট্রোল ইউনিট
  • ভিভিপ্যাট মেশিন
  • অন্যান্য নির্বাচন-সংক্রান্ত নথি ও সামগ্রী

আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনও প্রমাণ নষ্ট করা যাবে না। মামলার পরবর্তী শুনানি তিন সপ্তাহ পরে হবে।

কেন বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ?

ভারতের বিচারব্যবস্থায় বিচারপতিদের নিরপেক্ষতা নিয়ে কোনও প্রশ্ন উঠতে পারে এমন পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছায় সম্ভাব্য স্বার্থ-সংঘাত (conflict of interest) প্রকাশ করার রীতি রয়েছে। বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের এই মন্তব্য সেই স্বচ্ছতারই উদাহরণ বলে আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন। মামলাকারীর পক্ষ আপত্তি না তোলায় তিনিই মামলার শুনানি চালিয়ে যাচ্ছেন।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *