ব্রিটিশ রাজত্বে শেষ মহিলা নবাব
সইফ আলি খানের পারিবারিক ইতিহাস গভীরভাবে জড়িত ভোপালের নবাব বেগমদের সঙ্গে। সইফের প্রপিতামহী, বেগম সুলতান জাহান, ছিলেন ভোপালের শেষ মহিলা নবাব। তিনি ছিলেন এমন এক নারীর প্রতীক, যিনি রক্ষণশীল সমাজের বাধা পেরিয়ে রাজ্যের উন্নতিতে ভূমিকা রেখেছেন।
রাজপরিবার ও উত্তরাধিকার
বেগম সুলতান জাহানের নাতনি সাজিদা সুলতান বিয়ে করেন নবাব ইফতিকার আলি খান পটৌদীকে, যিনি সইফের ঠাকুরদা। সেই সূত্রে সইফ ভোপালের নবাব পরিবারের একজন উত্তরাধিকারী। ভোপালের ১৫ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তির একটি অংশ এই পারিবারিক ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত।
বেগম সুলতান জাহানের শাসনকালের বৈশিষ্ট্য
১৯০১ সালে ভোপালের সিংহাসনে আরোহণের পর বেগম সুলতান জাহান প্রগতিশীলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। মেয়েদের শিক্ষা প্রসারের জন্য তিনি বেশ কয়েকটি স্কুল এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। শুধু তা-ই নয়, শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং সামাজিক উন্নয়নে তিনি অনন্য ভূমিকা রাখেন।
সমসাময়িক দৃষ্টিভঙ্গি
ব্রিটিশ শাসনের মধ্যেও তিনি ভোপালকে ইউরোপীয় শহরের রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা চালান। তাঁর গ্যারাজে রোলস রয়েজের মতো বিলাসবহুল গাড়ি ছিল, যা সময়ের তুলনায় তাঁর অগ্রগামী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দেয়।
ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা
বেগম সুলতান জাহানের পরবর্তী প্রজন্মও তাঁর উদার ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি বহন করেছে। তাঁর নাতনি আবিদা বেগম ১৫ বছর বয়সেই সিংহাসনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
বেগম সুলতান জাহানের জীবন ও কাজ আজও ইতিহাসে স্মরণীয়। তাঁর মতো দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী নারীরা সমাজে পরিবর্তনের মাইলফলক হয়ে থাকেন।
আপনার মতামত জানাবেন, যদি কিছু পরিবর্তন বা সংযোজন প্রয়োজন হয়!
বেআইনি ও হেলে পড়া বাড়ির সঙ্কটে বোরোভিত্তিক নজরদারি বাড়াচ্ছে কলকাতা পুরসভা