“ব্যাটই আমার হয়ে কথা বলবে”: লখনউ জেতানোর পর ঋষভ পন্থের জবাব সমালোচকদের

লখনউ জেতানোর পর ঋষভ পন্থের জবাব সমালোচকদের! আইপিএলের শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি ঋষভ পন্থের জন্য। প্রথম ম্যাচে লখনউ হারার পর সমালোচনার ঝড় উঠেছিল—তাদের চোখ পড়েছিল সরাসরি ২৭ কোটি মূল্যের দামের দিকে।…

April 6, 2026
1 min read

লখনউ জেতানোর পর ঋষভ পন্থের জবাব সমালোচকদের!

আইপিএলের শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি ঋষভ পন্থের জন্য। প্রথম ম্যাচে লখনউ হারার পর সমালোচনার ঝড় উঠেছিল—তাদের চোখ পড়েছিল সরাসরি ২৭ কোটি মূল্যের দামের দিকে। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেই পন্থ প্রমাণ করলেন, ব্যাটিই তার ভাষা। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে এক অনন্য ইনিংস খেলেন তিনি, আর দলকে জেতানোর মাধ্যমে নিজের দক্ষতার প্রতিফলন দেখালেন।

রবিবারের ম্যাচে পন্থের ব্যাট থেকে আসে ৫০ বলে ৬৮ রানের অপরাজিত ইনিংস। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি খেলেছেন দায়িত্ববোধের সঙ্গে, চাপকে পরাস্ত করে দলের জয়ের পথ প্রশস্ত করেছেন। ম্যাচ শেষে তিনি জানিয়েছেন, “আমি জানতাম যে আমি ভালোভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। চাই ব্যাটই আমার হয়ে কথা বলুক। সতীর্থরা এবং দল পরিচালন সমিতি জানে আমি কতটা কঠোর পরিশ্রম করি। সমালোচনা নিয়ে কথা বলতে চাই না।”

পন্থের জন্য এটি শুধু ব্যক্তিগত কৃতিত্ব নয়, বরং দলের প্রতি দায়বদ্ধতারও পরিচয়। তিনি বলেছেন, “সব ভালো যার শেষ ভালো। আমাদের দলের মানসিকতা সেটাই। পাশাপাশি নিজের দিকে আলাদা করে নজর রাখি। ধারাবাহিকভাবে ভালো প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং পুরো দায়বদ্ধতার সঙ্গে খেলছি।”

এই ইনিংসের মাধ্যমে পন্থ প্রমাণ করলেন যে, চাপের মধ্যে থেকেও একজন খেলোয়াড় কিভাবে দলের জন্য বড় অবদান রাখতে পারে। লখনউ অধিনায়ক হিসেবে তিনি শুধু ব্যাটারদেরই নয়, বোলারদেরও প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, “বোলারদের কৃতিত্ব দিতে হবে। আমাদের রাতটা সুন্দর হয়েছে তাদের জন্য। শামি ভাই, আবেশ, রাঠি—প্রত্যেকে নিজের মতো করে অবদান রেখেছে।”

দলকে জেতানোর পেছনে পন্থের কৌশল এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। মাত্র দুই ম্যাচে এই পেসার-অলরাউন্ডারের পারফরম্যান্স দলের জন্য প্রেরণার উৎস। ২৭ কোটি মূল্যের ইনভেস্টমেন্ট এখন যেন আরও প্রমাণিত—কারণ পন্থ ব্যাটেই নিজের মূল্য প্রমাণ করেছেন।

আইপিএলের মঞ্চে পন্থের এই ইনিংস শুধু ব্যক্তিগত প্রতিশোধ নয়, বরং ঘরোয়া ক্রিকেট এবং ধারাবাহিক পরিশ্রমের ফল। ব্যাটিংয়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি দলকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তুলেছেন। এমন পারফরম্যান্সে যে কোনও সমালোচককে কিছু বলার অবকাশ থাকে না।

শেষ পর্যন্ত, পন্থের মনোভাব স্পষ্ট: “আমি ব্যাটের মাধ্যমে বলব, বাকিটা সমালোচকের দায়িত্ব।” এই আত্মবিশ্বাসী এবং দায়িত্বশীল মনোভাবই তাকে লখনউ সুপার জায়ান্টসের জন্য অপরিহার্য খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। আইপিএলের এই ঋষভ পন্থ দেখিয়ে দিলেন, বড় মূল্যে কেন তাকে দলে নেওয়া হয়েছে এবং ব্যাটেই কীভাবে নিজের ও দলের জন্য কথা বলা যায়।

শেষ লড়াইয়ের গল্প: জল থেকে তোলার পরও বেঁচে ছিলেন রাহুল, তবু বাঁচানো গেল না

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *