ব্যাঙ্কে কত টাকা আছে, নিজেই জানেন না! অর্থ নিয়ে অকপট স্বীকারোক্তি দিলজিৎ দোসাঞ্জের

অর্থ নিয়ে অকপট স্বীকারোক্তি দিলজিৎ দোসাঞ্জের! অর্থ উপার্জন একসময় তাঁর কাছে নেশার মতো হয়ে উঠেছিল। সেই কথা আগেই জানিয়েছিলেন জনপ্রিয় পঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ। তবে এবার টাকাপয়সা নিয়ে…

July 2, 2026
0 min read

অর্থ নিয়ে অকপট স্বীকারোক্তি দিলজিৎ দোসাঞ্জের!

অর্থ উপার্জন একসময় তাঁর কাছে নেশার মতো হয়ে উঠেছিল। সেই কথা আগেই জানিয়েছিলেন জনপ্রিয় পঞ্জাবি গায়ক ও অভিনেতা দিলজিৎ দোসাঞ্জ। তবে এবার টাকাপয়সা নিয়ে এমন এক মন্তব্য করেছেন, যা শুনে বিস্মিত হয়েছেন তাঁর অনুরাগীরাও। দিলজিতের দাবি, তাঁর নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঠিক কত টাকা রয়েছে, সে বিষয়ে তাঁর কোনও ধারণাই নেই।

সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি প্রশ্নোত্তর পর্বে এক অনুরাগী জানতে চান, তাঁর ব্যাঙ্ক ব্যালান্স কত। উত্তরে দিলজিৎ বলেন, “অনেকে হয়তো বিশ্বাস করবেন না, কিন্তু সত্যিই আমি জানি না আমার অ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে। এমনকি আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আমি নিজেও সরাসরি পরিচালনা করি না।”

তিনি আরও জানান, তাঁর সমস্ত আর্থিক বিষয় দেখভাল করে একটি পেশাদার দল। টাকা কোথা থেকে আসছে, কখন জমা হচ্ছে বা কোথায় খরচ হচ্ছে— এসব বিষয়ে তিনি সচেতনভাবে নিজেকে জড়ান না। কোনও কিছু কেনার প্রয়োজন হলে শুধু সহযোগীদের একটি প্রশ্নই করেন— “টাকা আছে তো?” যদি উত্তর ‘হ্যাঁ’ হয়, তবেই সেই সিদ্ধান্ত নেন।

দিলজিতের কথায়, বড় কোনও অনুষ্ঠান বা প্রকল্পের আগে শুধু এটুকুই নিশ্চিত করা হয় যে, প্রয়োজনীয় বাজেট রয়েছে কি না এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে তাঁদের প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেওয়া সম্ভব হবে কি না। এর বাইরে নিজের আয়, কর বা ব্যাঙ্কের হিসাব নিয়ে তিনি বিশেষ মাথা ঘামান না। তাঁর বক্তব্য, “আমি কত কর দিই বা কত পারিশ্রমিক পাই, সেটাও আমার জানা নেই।”

তবে অর্থ নিয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আগের তুলনায় অনেকটাই বদলেছে। একসময় বেশি বেশি টাকা রোজগারের প্রবল ইচ্ছাই তাঁকে অনুপ্রাণিত করত। কিন্তু এখন তাঁর উপলব্ধি ভিন্ন। দিলজিৎ বলেন, “শেষ পর্যন্ত টাকা তো এখানেই থেকে যাবে। কেউই অর্থ সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারে না। অনেকে বলবেন, টাকা থাকলেই এমন কথা বলা সহজ। সেটা আমি বুঝি। কিন্তু এটাও সত্যি যে, পৃথিবীর অধিকাংশ অশান্তির কেন্দ্রেই রয়েছে অর্থ। টাকা মানুষের হাতে ক্ষমতা এনে দেয়, আর সেই ক্ষমতাই অনেক সময় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।”

পুরনো এক সাক্ষাৎকারেও নিজের শৈশবের কথা তুলে ধরেছিলেন এই শিল্পী। তিনি জানিয়েছিলেন, ছোটবেলায় আর্থিক অভাবের মধ্যেই বড় হয়েছেন। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে জীবনের শুরুতে কঠোর পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জনের প্রেরণা দিয়েছিল। তবে সময়ের সঙ্গে তাঁর উপলব্ধিও বদলেছে। এখন অর্থের গুরুত্ব অস্বীকার না করলেও, সেটিকেই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য বলে আর মনে করেন না তিনি।

দিলজিতের এই অকপট স্বীকারোক্তি সমাজমাধ্যমে ইতিমধ্যেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই তাঁর সরল জীবনদর্শনের প্রশংসা করছেন, আবার কেউ কেউ অবাক হচ্ছেন যে, এত বড় তারকা হয়েও নিজের ব্যাঙ্ক ব্যালান্স সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণ উদাসীন।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *