বৈভবের ব্যাটে তাণ্ডব, কামিন্সদের উড়িয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রাজস্থান

বৈভবের ব্যাটে তাণ্ডব! মাত্র ১৫ বছর বয়সেই আইপিএলে একের পর এক বিস্ময় উপহার দিচ্ছে বৈভব সূর্যবংশী। এলিমিনেটরের মতো চাপের ম্যাচেও তার ব্যাটে দেখা গেল অবিশ্বাস্য আগ্রাসন। সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ২৯…

May 28, 2026
1 min read

বৈভবের ব্যাটে তাণ্ডব!

মাত্র ১৫ বছর বয়সেই আইপিএলে একের পর এক বিস্ময় উপহার দিচ্ছে বৈভব সূর্যবংশী। এলিমিনেটরের মতো চাপের ম্যাচেও তার ব্যাটে দেখা গেল অবিশ্বাস্য আগ্রাসন। সানরাইজ়ার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ২৯ বলে ৯৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে কার্যত একাই ম্যাচের রং বদলে দিল রাজস্থানের এই তরুণ ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ৪৭ রানে জিতে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে উঠে গেল রাজস্থান রয়্যালস। শুক্রবার শুভমন গিলের গুজরাত টাইটান্সের মুখোমুখি হবে তারা।

গ্রুপ পর্বে হায়দরাবাদের কাছে দু’বার হারলেও নকআউট ম্যাচে সম্পূর্ণ অন্য রূপে দেখা গেল রাজস্থানকে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে নেমে হায়দরাবাদের বোলিং আক্রমণকে তছনছ করে দেন বৈভব।

ম্যাচের আগে অধিনায়ক Pat Cummins জানিয়েছিলেন, বৈভবকে আটকাতে তাঁদের ‘প্ল্যান এ, বি, সি’ তৈরি রয়েছে। কিন্তু কোনও পরিকল্পনাই কাজে এল না। প্রথমে ইয়র্কার, পরে শর্ট বল, শেষে গতি কমিয়ে কাটার— সব রকম অস্ত্রই ব্যবহার করেছিলেন কামিন্সরা। কিন্তু বৈভব যেন অন্য মেজাজে ছিলেন।

কখনও মিড অফের উপর দিয়ে, কখনও স্কোয়ার লেগে, আবার কখনও পুল শটে একের পর এক ছক্কা উড়তে থাকে। মাত্র ১৬ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করে তিনি ছুঁয়ে ফেলেন Suresh Raina-র আইপিএল নকআউটের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড।

শুধু তাই নয়, এ দিন ভেঙে দেন Chris Gayle-এর এক মরসুমে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ডও। গেলের ৫৯ ছক্কার রেকর্ড টপকে বৈভবের ছক্কার সংখ্যা পৌঁছে যায় ৬৫-তে।

শতরানও প্রায় হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু দ্রুততম আইপিএল শতরানের রেকর্ড ভাঙতে গিয়ে ৯৭ রানে আউট হন তিনি। তবু ২৯ বলে ১২টি ছক্কা ও ৫টি চারে সাজানো ইনিংস ইতিমধ্যেই এই মরসুমের অন্যতম সেরা বলে ধরা হচ্ছে।

বৈভব আউট হওয়ার পর ধ্রুব জুরেল ২০ বলে ৫০ রান করে রান তোলার গতি বজায় রাখেন। অধিনায়ক রিয়ান পরাগও দ্রুত ২৬ রান যোগ করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ২৪৩ রান তোলে রাজস্থান।

বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় হায়দরাবাদ। দ্বিতীয় বলেই Abhishek Sharma-কে ফিরিয়ে দেন Jofra Archer। এরপর ঈশান কিশন কিছুটা লড়াই করলেও নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে হায়দরাবাদ।

আর্চারের গতি ও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে ব্যাটাররা স্বচ্ছন্দ হতে পারেননি। ট্রেভিস হেড, হাইনরিখ ক্লাসেন, কামিন্স— কেউই বড় রান পাননি। নীতীশ কুমার রেড্ডি কিছুটা লড়াই করলেও তা যথেষ্ট ছিল না।

শেষ পর্যন্ত ১৯.২ ওভারে ১৯৬ রানে অলআউট হয়ে যায় হায়দরাবাদ। ফলে ৪৭ রানের বড় জয় নিয়ে এখন ফাইনালের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে রাজস্থান রয়্যালস।

স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *