বর্ষার দিনে গরম ভাত, রুটি কিংবা নানের সঙ্গে যদি থাকে মাটির হাঁড়িতে তৈরি সুগন্ধি দম পনির, তা হলে খাওয়ার আনন্দ যেন কয়েক গুণ বেড়ে যায়। মাটির হাঁড়িতে রান্নার আলাদা সোঁদা সুবাস আর মশলার ধোঁয়াটে ঘ্রাণ এই পদকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়। সবচেয়ে ভাল খবর, ঐতিহ্যবাহী দম দেওয়ার ঝক্কি ছাড়াই খুব সহজে বানিয়ে নেওয়া যায় এই পদ।
উপকরণ
- ৪০০ গ্রাম পনির (কিউব করে কাটা)
- ২ টেবিল চামচ তেল
- ২টি তেজপাতা
- ২টি সবুজ এলাচ
- ২টি লবঙ্গ
- ১ টুকরো দারচিনি
- ১ চা চামচ আদাবাটা
- ১ চা চামচ রসুনবাটা
- ১ চা চামচ লঙ্কাবাটা
- আধ কাপ পেঁয়াজবাটা
- আধ চা চামচ জিরেগুঁড়ো
- দেড় টেবিল চামচ ধনেগুঁড়ো
- ৬-৮টি গুঁড়ো গোলমরিচ
- স্বাদমতো নুন
- আধ কাপ ফেটানো টক দই
- আধ কাপ ফ্রেশ ক্রিম
- এক চিমটি কেশর
- আধ টেবিল চামচ গরম মশলা গুঁড়ো
- ২ টেবিল চামচ কুচোনো ধনেপাতা
- আধ টেবিল চামচ কুচোনো পুদিনাপাতা
- কয়েকটি গোলাপের পাপড়ি
- দেড় টেবিল চামচ গোলাপজল
প্রণালী
প্রথমে পনির ছোট কিউব করে কেটে নিন। পাশাপাশি একটি মাটির হাঁড়ি বা পাত্র ধুয়ে শুকিয়ে রাখুন।
এরপর কড়াইয়ে তেল গরম করে তেজপাতা, এলাচ, লবঙ্গ ও দারচিনি ফোড়ন দিন। সুগন্ধ বেরোলে আদা, রসুন, লঙ্কা ও পেঁয়াজবাটা দিয়ে মাঝারি আঁচে ভাল করে কষিয়ে নিন।
মশলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে এক কাপ গরম জল দিন। দু’মিনিট ফুটিয়ে জিরে, ধনে, গোলমরিচ ও নুন মিশিয়ে আবার কষান। শেষে ফেটানো দই ধীরে ধীরে মিশিয়ে নাড়তে থাকুন যাতে দই না ফেটে যায়।
এরপর পনির দিয়ে কয়েক মিনিট রান্না করুন। শেষে ফ্রেশ ক্রিম মিশিয়ে আরও এক-দু’মিনিট ফুটিয়ে নামিয়ে নিন।
রান্নাটি এবার গরম অবস্থাতেই মাটির হাঁড়িতে ঢেলে দিন। উপর থেকে গরম মশলা, কেশর, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, গোলাপের পাপড়ি এবং গোলাপজল ছড়িয়ে দিন। হাঁড়ির মুখ শক্ত করে ঢেকে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন।
এই সময় গরম ঝোলের বাষ্প মাটির হাঁড়ির ভেতরে আটকে থেকে রান্নায় মিশিয়ে দেবে মাটির স্বতন্ত্র সোঁদা সুবাস ও হালকা ধোঁয়াটে স্বাদ। এরপর গরম গরম ভাত, নান, পরোটা বা রুমালি রুটির সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু দম পনির।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?