বিশ্বকাপে নজর কাড়লেও নেই ক্লাব!!
বিশ্বকাপের মঞ্চে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে নজর কেড়েছেন কাবো ভার্দের গোলরক্ষক ভোজ়িনহা। কিন্তু টুর্নামেন্টে খেলতে নামার সময় তাঁর কোনও ক্লাবই ছিল না। ৪০ বছর বয়সি এই গোলরক্ষক এখন নতুন ঠিকানার অপেক্ষায়। তাঁর ইচ্ছা, সুযোগ পেলে ব্রাজ়িলের কোনও ক্লাবে খেলা।
বিশ্বকাপের আগে পর্তুগালের দ্বিতীয় ডিভিশনের ক্লাব GD Chaves-এ খেলতেন ভোজ়িনহা। কিন্তু ক্লাবটির সঙ্গে তাঁর চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। ফলে কোনও দলের সঙ্গে যুক্ত না হয়েই বিশ্বকাপে খেলতে এসেছেন তিনি।
বয়স বাড়লেও আত্মবিশ্বাসে কোনও ঘাটতি নেই ভোজ়িনহার। বিশ্বকাপে স্পেনের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, এখনও বড় মঞ্চে নিজেকে মেলে ধরার ক্ষমতা রয়েছে তাঁর।
ব্রাজ়িলের সাংবাদিক ড্যানিয়েল ব্রাউনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভোজ়িনহা বলেন, ‘‘চাভেসের সঙ্গে আমার চুক্তি শেষ হয়েছে। এই মুহূর্তে আমার কোনও ক্লাব নেই। সব সম্ভাবনা খোলা রেখে এগোতে চাই। দেখা যাক কী হয়।’’
এর পর তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, ব্রাজ়িলের কোনও ক্লাব থেকে প্রস্তাব এলে তিনি খেলতে আগ্রহী কি না। হাসতে হাসতে ভোজ়িনহার উত্তর, ‘‘সেটা হলে তো খুব ভাল হবে। সুযোগ এলে অবশ্যই যাব। সকলে আমাদের যে ভাবে সমর্থন করছেন, তার জন্য ধন্যবাদ।’’
কাবো ভার্দের এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক শুধু নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েই ভাবছেন না, দলের স্বপ্ন নিয়েও আশাবাদী। বিশ্বকাপে তাঁর প্রথম লক্ষ্য নকআউট পর্বে পৌঁছনো।
ভোজ়িনহা বলেন, ‘‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়া। কাবো ভার্দের সব মানুষেরই এটা স্বপ্ন। বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাওয়াটাই আমাদের জন্য বড় ব্যাপার। নকআউটে যেতে পারলে সেটা অসাধারণ হবে।’’
বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সের পরে ভোজ়িনহার সামনে নতুন সুযোগের দরজা খুলতে পারে। বয়স ৪০ হলেও তাঁর অভিজ্ঞতা ও গোলপোস্টের সামনে দক্ষতা এখনও অনেক ক্লাবের নজর কাড়তে পারে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?