বৈভব সূর্যবংশীর বয়স নিয়ে জল্পনার অবসান!
আইপিএলে দুরন্ত পারফরম্যান্স করে ইতিমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র চার ম্যাচে ২০০ রান, ৫০-এর গড় আর চোখ ধাঁধানো ২৬৬.৬৬ স্ট্রাইক রেট—এই পরিসংখ্যানই বলে দেয়, কী অসাধারণ ছন্দে রয়েছে রাজস্থান রয়্যালসের এই তরুণ ব্যাটার। এমনকি এই মুহূর্তে কমলা টুপির দৌড়েও এগিয়ে সে।
তবে তার ব্যাটিংয়ের থেকেও বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছিল—তার বয়স। সত্যিই কি সে মাত্র ১৫ বছরের? নাকি আসল বয়স আরও বেশি? সমাজমাধ্যমে এই নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়।
এই জল্পনার মাঝেই সামনে আসে একটি ছোট্ট ভিডিও, যা অনেকটাই পরিষ্কার করে দেয় ছবিটা।
গুয়াহাটি থেকে হায়দরাবাদ যাওয়ার পথে টিম বাসে বসে ছিল বৈভব। সেই সময় তাকে দেখা যায়, বারবার নিজের সিটের উপরের আলো জ্বালানো-নেভানো নিয়ে খেলতে। কখনও আলো, কখনও আবার এসির সুইচ—একেবারে শিশুসুলভ কৌতূহল আর খুনসুটি! যেন কোনও বড় ক্রিকেটার নয়, বরং এক সাধারণ কিশোরের আচরণ।
এই স্বতঃস্ফূর্ত মুহূর্তটাই অনেকের কাছে প্রমাণ করে দেয়—হ্যাঁ, বয়সের দিক থেকে সে এখনও কিশোরই। মাঠে তার পরিণত ব্যাটিং দেখে যাঁরা সন্দেহ করেছিলেন, তাঁদের কাছে এই দৃশ্য যেন বাস্তবের আয়না।
শুধু এই ঘটনাই নয়, সতীর্থ বা প্রতিপক্ষদের সঙ্গে তার কথাবার্তাতেও সেই সরলতা স্পষ্ট। এখনও সে কূটনীতি শেখেনি, মনে যা আসে তাই বলে ফেলে। তবে এই সরলতার আড়ালেই লুকিয়ে আছে ভয়ংকর এক ব্যাটার।
মাঠে নামলেই একেবারে অন্য রূপ। সামনে জসপ্রীত বুমরাহ হোক বা জস হেজ়লউড—কাউকেই বিন্দুমাত্র ভয় পায় না সে। বল দেখলেই আক্রমণ, আর ক্রিজে থাকলে রান থামে না। এই বয়সেই ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে বৈভব।
এই বৈপরীত্যটাই তাকে আলাদা করে—মাঠের বাইরে একেবারে সহজ-সরল কিশোর, আর মাঠের ভিতরে নির্ভীক ম্যাচ উইনার।
সব মিলিয়ে, বয়স নিয়ে যত জল্পনাই থাকুক, একটা বিষয় স্পষ্ট—ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ তার হাতে নিরাপদ বলেই মনে করছেন অনেকেই।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?