ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতের জেরে বাতিল একাধিক উড়ান
ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় পর্যটনস্থল বালি আপাতত পর্যটকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। লিয়োটোবি পর্বতের অগ্ন্যুৎপাতের ফলে আকাশে ১১ কিমিরও বেশি উচ্চতায় ছাইয়ের স্তম্ভ তৈরি হয়েছে। এর জেরে বাতিল হয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান, বিশেষ করে ভারত থেকে বালিগামী উড়ানগুলিতে প্রভাব পড়েছে সবচেয়ে বেশি। কলকাতা থেকেও বালি যাওয়ার পরিকল্পনায় জল ঢেলেছে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। বালির মতোই নয়নাভিরাম সৈকত, মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও কম বাজেটে ঘোরা যায় এমন কয়েকটি গন্তব্য রয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়, যেখানে আপনি চাইলে এখনই ছুটি কাটাতে পারেন।
১) শ্রীলঙ্কা — এক সাগরের ওপারে, বালির মতোই আপন ঘর
ভারতের দক্ষিণে অবস্থিত এই দ্বীপরাষ্ট্রে রয়েছে একাধিক আকর্ষণীয় সৈকত ও পাহাড়ি অঞ্চল। বালির উবুদের মতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এলাকা হল এলা। সমুদ্রের টানে যেতে পারেন ট্যাংগ্যালে, উলপোথা বা অহনগামা-তে। ভীড় কম, খরচও তুলনামূলকভাবে কম।
খরচ: ৪–৫ দিনের সফরের জন্য জনপ্রতি ₹৩০,০০০–₹৫০,০০০।
২) ফুকেট ও ক্রাবি (থাইল্যান্ড) — পার্টি, সৈকত আর অ্যাডভেঞ্চারের ঠিকানা
কলকাতা থেকে মাত্র ৩–৪ ঘণ্টার উড়ানেই পৌঁছে যেতে পারেন থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় গন্তব্য ফুকেট বা ক্রাবি-তে। প্যাটং বিচ, হং আইল্যান্ড, রাইলি সৈকত কিংবা আও নাং— প্রতিটি জায়গাই বালির জৌলুশের সঙ্গে টেক্কা দিতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা নাইটলাইফ বা ওয়াটার অ্যাকটিভিটিস ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য আদর্শ।
খরচ: ৬–৭ দিনের জন্য জনপ্রতি ₹৪৫,০০০–₹৫৫,০০০।
৩) লঙ্কাভি (মালয়েশিয়া) — দ্বীপের রাজ্যে প্রকৃতির শান্তির আহ্বান
প্রায় ৯৯টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত মালয়েশিয়ার লঙ্কাভি বর্তমানে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বালির বিকল্প হিসেবে। স্কাই ব্রিজ, পানটাই সেনাং সৈকত, কিলিম জিয়োপার্ক, নানান দ্বীপের ভ্রমণ এবং ওয়াটার স্পোর্টস এখানে পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ।
খরচ: ৪–৫ দিনের জন্য জনপ্রতি ₹৩০,০০০–₹৫০,০০০।
উপসংহার
বালির আপাতত ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির মাঝে এই তিনটি গন্তব্যই হতে পারে এক নিখুঁত বিকল্প। নিরাপদে ঘুরতে চাইলে পরিস্থিতি না থিতানো পর্যন্ত বালির বদলে এই গন্তব্যগুলিই বেছে নিন।
আরও জানতে চাইলে এখানে দেখুন শ্রীলঙ্কার ভ্রমণ গাইড, থাইল্যান্ড ট্যুর পরিকল্পনা, অথবা লঙ্কাভি এক্সপ্লোরেশন প্ল্যান।