বর্ষায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পায়ের যত্নে অবহেলা চলবে না

বর্ষায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পায়ের যত্নে অবহেলা চলবে না! বর্ষাকাল মানেই চারদিকে জল-কাদা, ভেজা জামা-কাপড়, সঙ্গে ফাঙ্গাস ও সংক্রমণের ভয়। তবে যাঁদের ডায়াবিটিস রয়েছে, তাঁদের জন্য এই সময়টা আরও বেশি…

July 16, 2025
1 min read

বর্ষায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলেও পায়ের যত্নে অবহেলা চলবে না!

বর্ষাকাল মানেই চারদিকে জল-কাদা, ভেজা জামা-কাপড়, সঙ্গে ফাঙ্গাস ও সংক্রমণের ভয়। তবে যাঁদের ডায়াবিটিস রয়েছে, তাঁদের জন্য এই সময়টা আরও বেশি সতর্কতার। কারণ, রক্তে শর্করার মাত্রা যদি ঠিকঠাক না থাকে, তার সরাসরি প্রভাব পড়ে স্নায়ু এবং ত্বকের উপর। বিশেষ করে পায়ের যত্নে গাফিলতি করলে দেখা দিতে পারে ‘ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি’। এটি এমন এক সমস্যা যেখানে পায়ের অনুভূতি কমে যায়, সামান্য কেটে গেলেও তা টের পাওয়া যায় না। বর্ষায় তাই ডায়াবেটিকদের জন্য পায়ের বাড়তি যত্ন একেবারে বাধ্যতামূলক।

শরীরের অন্য অঙ্গের মতো পায়েরও বিশেষ যত্ন দরকার। চিকিৎসকেরা বর্ষায় ডায়াবেটিকদের পায়ের জন্য যেসব নিয়ম মানার কথা বলেন, সেগুলি সহজভাবে দেখে নেওয়া যাক:

প্রথমত, বাইরে থেকে এসে সব সময় ঈষদুষ্ণ জল দিয়ে পা ধুয়ে নিন। বিশেষ করে বর্ষায় ছত্রাকের সংক্রমণ খুবই সাধারণ ব্যাপার। তাই পা ধোয়ার সময় কম ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার করুন। ধোয়ার পরে তোয়ালে দিয়ে ভাল করে শুকিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন, পায়ের আঙুলের ফাঁক বা গোড়ালি ভেজা না থাকে। কারণ, সেখানেই বেশি ছত্রাক বাসা বাঁধে।

দ্বিতীয়ত, বর্ষার আর্দ্র আবহাওয়ায় অনেক সময় পায়ের ত্বক শুকিয়ে যেতে পারে, টান ধরতে পারে। বিশেষ করে ডায়াবেটিকদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুষ্কতা থেকে ফাটল তৈরি হতে পারে, যা সংক্রমণের কারণ হতে পারে। তাই পা পরিষ্কার করে শুকনো করার পর পায়ের আঙুল, গোড়ালি এবং পাতায় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা জরুরি। এতে ত্বক নমনীয় থাকে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

তৃতীয়ত, নিয়মিত পেডিকিয়োর করা ভালো। তবে পার্লারে যাওয়া না করাই ভালো। কারণ পার্লারের যন্ত্রপাতি সব সময় জীবাণুমুক্ত থাকে না। তার চেয়ে বরং বাড়িতে শ্যাম্পু ও গরম জল ব্যবহার করে সহজ পেডিকিয়োর করুন। প্রয়োজনে সপ্তাহে অন্তত একবার এই কাজ করুন।

চতুর্থত, হাঁটার অভ্যাস অনেকেরই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। বর্ষায় সেই অভ্যাস একেবারে বন্ধ করার দরকার নেই, তবে খেয়াল রাখতে হবে পায়ের সুরক্ষার দিকে। জল-কাদা যাতে পায়ে না লাগে, সে জন্য খোলামেলা ও ধোয়া যায় এমন স্যান্ডেল ব্যবহার করুন। বাইরে থেকে ফিরে অবশ্যই পা এবং জুতো ভালো করে ধুয়ে নিন। জুতো ভেজা থাকলে সেটি পরে বাইরে বেরনো একেবারেই ঠিক নয়। প্রয়োজনে দুটি বা তিনটি জুতো ঘুরিয়ে ব্যবহার করুন।

পঞ্চমত, পায়ের নখ ছোট করে কাটা জরুরি। বড় নখে ময়লা জমে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন নখ ঠিকঠাক কেটে নিন। তবে খেয়াল রাখবেন, নখ কাটার সময় কোনওভাবে পায়ের ত্বক যেন কেটে না যায়।

সবশেষে মনে রাখবেন, ডায়াবেটিস থাকলে পায়ের যত্ন শুধু শখের বিষয় নয়, বরং এটি স্বাস্থ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পায়ে সামান্য ক্ষতও বড় বিপদের কারণ হতে পারে। তাই বর্ষায় পায়ের প্রতি সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন।

ফ্লিপকার্ট ও অ্যামাজনে ধামাকা ডিসকাউন্টে বাজেট স্মার্টফোনের দারুণ অফার চলেছে—নিচে কিছু হাইলাইট আর শীর্ষ—৪ ফোনের তালিকা দেয়া হলো

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *