পুন্ডিরের শতকে প্রথম দিনেই দাপট জম্মু-কাশ্মীরের!
প্রথমবার ফাইনালে উঠেই যেন নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়ে দিল জম্মু-কাশ্মীর। ঘরের মাঠে শক্তিশালী কর্নাটকের বিরুদ্ধে রঞ্জি ট্রফি ফাইনালের প্রথম দিন শেষে বেশ স্বস্তিতেই রয়েছে তারা। দিনের খেলা থামার সময় স্কোরবোর্ডে জম্মু-কাশ্মীরের রান ২ উইকেটে ২৮৪— আর সেই মজবুত ভিত গড়ে দিয়েছেন ব্যাট হাতে অসাধারণ ইনিংস খেলা শুভম পুন্ডির।
💥 শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে ইনিংস
টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অধিনায়ক পরশ ডোগরা। তাঁর সিদ্ধান্ত যে একেবারেই সঠিক ছিল, তা প্রমাণ করে দিয়েছেন দলের ব্যাটারেরা।
ওপেনার কামরান ইকবাল খুব বেশি রান না পেলেও (৬), অন্য প্রান্তে দৃঢ়তা দেখান ইয়াওয়ার হাসান। তিনি ধৈর্য ধরে খেলতে খেলতে ৮৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস গড়ে তোলেন।
এরপর তিন নম্বরে নেমে ম্যাচের রং বদলে দেন পুন্ডির। হাসানের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে তাঁদের ১৪৯ রানের জুটি জম্মু-কাশ্মীরকে পুরোপুরি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেয়।
🌟 পুন্ডিরের ঝকঝকে শতরান
পুন্ডিরের ইনিংস ছিল ধৈর্য আর আক্রমণের নিখুঁত মিশেল। ২২১ বলের মোকাবিলায় তিনি করেন অপরাজিত ১১৭ রান। তাঁর ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও ২টি ছয়।
বিশেষ করে শিখর শেট্টির বলে ডিপ মিডউইকেটে ছয় মেরে শতরান পূর্ণ করার মুহূর্তটি ছিল দিনের অন্যতম আকর্ষণ। এই ইনিংসেই তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন— নকআউটে মধ্যপ্রদেশ ও বাংলাকে হারানো কোনও আকস্মিক ঘটনা ছিল না।
😟 অধিনায়কের চোট, তবু এগিয়ে দল
চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৯ রান করার পর প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের বাউন্সারে গলায় চোট পান ডোগরা। তাঁকে মাঠ ছাড়তে হয়, যদিও চোট গুরুতর না হলে আবার ব্যাট করতে নামতে পারেন বলে খবর।
দিনের শেষে পুন্ডিরের সঙ্গে অপরাজিত রয়েছেন আব্দুল সামাদ। তিনি ৫২ রান করে দলের স্কোর আরও মজবুত জায়গায় পৌঁছে দিয়েছেন। তাঁদের অসমাপ্ত জুটিতে ইতিমধ্যেই উঠে এসেছে ১০৫ রান।
🎯 কর্নাটকের বোলারদের হতাশা
ঘরের মাঠে খেলেও খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি কর্নাটক ক্রিকেট দল। ভারতীয় টেস্ট দলের সদস্য প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ২ উইকেট পেলেও অন্য বোলাররা তেমন চাপ তৈরি করতে পারেননি।
উইকেট না পেলেও বিজয়কুমার বৈশাখ কিছুটা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন, তবে সামগ্রিকভাবে জম্মু-কাশ্মীরের ব্যাটিংয়ের সামনে তাঁদের পরিকল্পনা কার্যকর হয়নি।
🧭 ম্যাচের চিত্র
প্রথম দিনের খেলা শেষে পরিষ্কার— ফাইনালের মঞ্চে জম্মু-কাশ্মীর ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলছে। পুন্ডির ও সামাদের জুটি দ্বিতীয় দিনে আরও বড় ইনিংস গড়তে পারলে কর্নাটকের সামনে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে।
প্রথম দিনেই তাই ফাইনালের পাল্লা স্পষ্টভাবেই ঝুঁকে গেল জম্মু-কাশ্মীরের দিকে। এখন দেখার, দ্বিতীয় দিনে তারা কত বড় লিড গড়ে তুলতে পারে।
প্রোটিন শেক নয়, ‘ঘরোয়া খিচুড়ি’ই ভরসা: শরীরচর্চার পরে হৃতিক রোশন যা খান, জানলে চমক লাগবেই