প্রথমার্ধে গোলশূন্য, দ্বিতীয়ার্ধে ১১ গোল!!
প্রথমার্ধে একটিও গোল হয়নি। তাই দ্বিতীয়ার্ধেও যে খুব বেশি উত্তেজনা থাকবে, এমনটা হয়তো ভাবেননি সমর্থকেরা। কিন্তু বিরতির পর বদলে গেল গোটা ম্যাচের ছবি। একের পর এক গোল, পাল্টাপাল্টি আক্রমণ এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা—সব মিলিয়ে সুইডেনের ঘরোয়া ফুটবলে বিরল এক ম্যাচের সাক্ষী থাকলেন দর্শকেরা। শেষ পর্যন্ত এআইকে-কে ৬-৫ গোলে হারাল ব্রম্মাপোজকার্না।
৫-১ পিছিয়ে থেকেও সমতা এআইকে-র
সুইডেনের ১৬ দলের ঘরোয়া লিগে ব্রম্মাপোজকার্না ছিল নবম স্থানে। অন্য দিকে, এআইকে ছিল ১১ নম্বরে। দুই দলের অবস্থান দেখে এমন নাটকীয় ম্যাচের পূর্বাভাস পাওয়া কঠিন ছিল। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে শুরু হয় গোলের বন্যা।
এক সময় ৫-১ গোলে এগিয়ে যায় ব্রম্মাপোজকার্না। মনে হচ্ছিল, ম্যাচের ফল তখনই প্রায় নির্ধারিত হয়ে গিয়েছে। কিন্তু হাল ছাড়েনি এআইকে। একের পর এক গোল করে ম্যাচে ফিরে আসে তারা। শেষ পর্যন্ত স্কোরলাইন ৫-৫ করে ফেলে দলটি।
সংযুক্তি সময়েও থামল না নাটক
ম্যাচের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরও উত্তেজনা কমেনি। সংযুক্তি সময়ের সপ্তম মিনিটে গোল করে এআইকে-কে পয়েন্ট এনে দিয়েছেন বলে ভেবেছিলেন জোহান হোভ। তাঁর গোলে সমর্থকেরা যখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন, তখনও ম্যাচের শেষ কথা বলা বাকি ছিল।
সংযুক্তি সময়ের নবম মিনিটে গোল করেন ব্রম্মাপোজকার্নার ম্যাডস হানসেন। তাঁর সেই গোলেই ৬-৫ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ব্রম্মাপোজকার্না। ৫-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও প্রায় জয় হাতছাড়া করতে বসেছিল তারা। শেষ মুহূর্তের গোলে অবশ্য পুরো তিন পয়েন্টই পেল দলটি।
ফুটবলে এমন গোলের বন্যা আগেও দেখা গিয়েছে
দ্বিতীয়ার্ধে এত গোল হওয়ার ঘটনা বিরল হলেও ফুটবলের ইতিহাসে এমন নজির রয়েছে। ১৯৮২ সালের নভেম্বরে জার্মানির ঘরোয়া লিগে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ১১-১ গোলে হারিয়েছিল আর্মিনিয়া বিলেফিল্ডকে। সেই ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধেই ১০টি গোল করেছিল ডর্টমুন্ড।
২০০৯ সালে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেও দেখা গিয়েছিল বড় ব্যবধানের জয়। টটেনহ্যাম হটস্পার ৯-১ গোলে হারিয়েছিল উইগান অ্যাথলেটিককে। দ্বিতীয়ার্ধে সাতটি গোল করেছিল টটেনহ্যাম। সেই ম্যাচে হ্যাটট্রিক-সহ মোট পাঁচটি গোল করেছিলেন জারমেন ডিফো।
সুইডেনের লিগে ব্রম্মাপোজকার্না ও এআইকে-র ম্যাচ অবশ্য আলাদা জায়গা করে নিল শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তার জন্য। প্রথমার্ধের গোলশূন্য অবস্থা থেকে দ্বিতীয়ার্ধে ১১ গোল—এমন ম্যাচ সমর্থকেরা সহজে ভুলবেন না।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।