পুজোয় হাঁটু-ঝুল পোশাক পরার আগে পায়ের যত্ন!
পুজোয় এ বার হাঁটু-ঝুল পোশাক, স্কার্ট কিংবা ওয়েস্টার্ন পোশাক পরার পরিকল্পনা করেছেন? কিন্তু পায়ের মেদ নিয়ে অস্বস্তি হচ্ছে? শরীরের নিম্নাংশের পেশি মজবুত ও সুগঠিত রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম এবং স্ট্রেচিং গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যাঁদের দিনের বেশির ভাগ সময় বসে বা দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয়, তাঁদের পা, ঊরু ও নিতম্বের পেশিতে অস্বস্তি বা ব্যথাও হতে পারে।
অভিনেত্রী জাহ্নবী কপূরের শরীরচর্চার রুটিনে পায়ের ব্যায়ামেরও গুরুত্ব রয়েছে। তাঁর অনুপ্রেরণায় কয়েকটি সহজ ব্যায়াম করতে পারেন। তবে শরীরের নির্দিষ্ট কোনও অংশের মেদ শুধুমাত্র সেই অংশের ব্যায়ামে কমানো যায় না। নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি সুষম খাবার এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামও প্রয়োজন।
ডাম্বেল গবলেট স্কোয়াট
স্কোয়াট করার সময় দুই হাতে একটি ডাম্বেল ধরে বুকের কাছে রাখুন। পা দু’টি সামান্য ফাঁক করে ধীরে ধীরে হাঁটু ভাঁজ করে চেয়ারে বসার মতো নীচে নামুন। তার পর আবার উঠে দাঁড়ান। বাড়িতে ডাম্বেল না থাকলে হালকা জলের বোতল দিয়ে শুরু করা যায়। কতটা ওজন ব্যবহার করবেন, তা নিজের সক্ষমতা অনুযায়ী ঠিক করা উচিত।
ডাম্বেল রোমানিয়ান ডেডলিফ্ট
দুই হাতে হালকা ডাম্বেল বা জলের বোতল নিয়ে দাঁড়ান। হাঁটু সামান্য ভাঁজ রেখে কোমর থেকে শরীর সামনের দিকে ঝোঁকান। পিঠ যেন বাঁকা না হয়। পায়ের পিছনের দিকের পেশিতে টান অনুভূত হলে ধীরে ধীরে আগের অবস্থায় ফিরে আসুন। নতুনরা প্রথমে হালকা ওজনেই এই ব্যায়াম শুরু করতে পারেন।
মিনি স্টেপার
বাড়িতে স্টেপার থাকলে সেটি ব্যবহার করা যায়। না থাকলে নিরাপদ, শক্ত এবং নিচু স্টেপ ব্যবহার করতে পারেন। এক পা দিয়ে উঠে অন্য হাঁটুকে বুকের দিকে তুলুন। তার পর পা বদলে একই ভাবে করুন। ভারসাম্য বজায় রাখা এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। খুব দ্রুত করার পরিবর্তে প্রথমে ধীরে ধীরে অভ্যাস করাই ভাল।
ওয়াকিং লাঞ্জেস
সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে এক পা সামনে এগিয়ে হাঁটু ভাঁজ করে শরীর নীচে নামান। পিছনের হাঁটু মাটির কাছাকাছি থাকবে। এ বার উঠে দাঁড়িয়ে অন্য পা সামনে এনে একই ভঙ্গি করুন। এ ভাবে ধীরে ধীরে কয়েকটি লাঞ্জ করা যায়। এই ব্যায়ামে পা, কোমর ও নিতম্বের একাধিক পেশি সক্রিয় হয়।
জানু শীর্ষাসন
মেঝেতে বসে একটি পা সামনে ছড়িয়ে দিন। অন্য পা হাঁটু থেকে ভাঁজ করে তার পায়ের পাতাটি বিপরীত ঊরুর কাছে রাখুন। এ বার সামনের দিকে ছড়ানো পায়ের দিকে শরীর ঝুঁকিয়ে স্ট্রেচ করুন। যতটা আরামদায়ক, ততটাই ঝুঁকবেন। ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড স্বাভাবিক ভাবে শ্বাস নিয়ে ভঙ্গিটি ধরে রাখা যায়।
পুজোর আগে হঠাৎ অতিরিক্ত শরীরচর্চা শুরু না করে ধীরে ধীরে অভ্যাস তৈরি করাই ভাল। কোনও পুরনো হাঁটু, কোমর বা পায়ের সমস্যা থাকলে প্রশিক্ষকের পরামর্শ নিয়ে ব্যায়াম করা উচিত। শরীরের গড়ন বদলানোর পাশাপাশি সুস্থ ও সক্রিয় থাকাটাই হওয়া উচিত শরীরচর্চার মূল লক্ষ্য।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।