পিচোলা ঝিলের ধারে রাজকীয় সাতপাকে বাঁধা পড়ছেন বিজয়–রশ্মিকা?
বিয়ের আসর উদয়পুরে বসতে পারে—এমন ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। এ বার সেই জল্পনাই আরও জোরালো হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, রাজস্থানের উদয়পুরে পিচোলা ঝিলের ধারে প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো এক রাজপ্রাসাদেই নাকি চারহাত এক করতে চলেছেন বিজয় দেবরকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানা। বলিউড–দক্ষিণী তারকা জুটির এই রাজকীয় বিয়ে ঘিরে এখন তুমুল কৌতূহল অনুরাগীদের মধ্যে।
গত অক্টোবর মাসে গোপনে বাগ্দান সেরেছেন বলেই শোনা যায়। যদিও এই বিষয়ে এখনও প্রকাশ্যে কিছুই স্বীকার করেননি বিজয় বা রশ্মিকা—দু’জনেই মুখে কুলুপ এঁটে রেখেছেন। এর মধ্যেই চলতি মাসের শুরুতে খবর ছড়ায়, ২ ফেব্রুয়ারিতেই নাকি তাঁদের বিয়ে। তবে রশ্মিকার ঘনিষ্ঠ সূত্র সেই খবর ভুয়ো বলে জানায়। নতুন করে শোনা যাচ্ছে, ২৬ ফেব্রুয়ারিই নাকি তাঁদের বিশেষ দিন।
সবচেয়ে আকর্ষণের বিষয় অবশ্যই বিয়ের ভেন্যু। জল্পনা অনুযায়ী, উদয়পুরের বিখ্যাত ‘সিটি প্যালেস’-এই বসতে চলেছে বিয়ের আসর। পাহাড়ের ওপর অবস্থিত এই প্রাসাদ রাজস্থানের সবচেয়ে বড় প্রাসাদ হিসেবে পরিচিত। প্রায় চার শতাব্দী পুরনো এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাজপুত ইতিহাস ও রাজকীয় আভিজাত্য। প্রাসাদের এক দিক থেকে চোখে পড়ে বিস্তীর্ণ পিচোলা ঝিল—যা বিয়ের মুহূর্তকে আরও রূপকথার মতো করে তুলবে বলেই মনে করছেন অনেকে।
জানা যাচ্ছে, রাজকীয় পরিবেশে হলেও বিয়েটা হতে চলেছে একেবারেই ঘরোয়া। ছবিশিকারি বা সংবাদমাধ্যম থেকে দূরেই নাকি রাখতে চান তারকাজুটি। শুধুমাত্র পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাই উপস্থিত থাকবেন বিয়ের অনুষ্ঠানে। তার পর বিয়ের কয়েক দিন পরে হায়দরাবাদে আয়োজন করা হবে প্রীতিভোজের। সেখানে অবশ্য বিনোদন জগতের বহু পরিচিত মুখের দেখা মিলতে পারে।
বিজয় ও রশ্মিকার সম্পর্কের শুরুটা হয়েছিল ২০১৭ সালে, ‘গীত গোবিন্দম’ ছবির সেটে। সেই ছবিতে তাঁদের রসায়ন দর্শকদের মন জিতে নিয়েছিল। পরে ‘ডিয়ার কমরেড’ ছবিতে আবার একসঙ্গে কাজ করার পর থেকেই তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও সম্পর্ক নিয়ে তাঁরা বরাবরই ব্যক্তিগত থেকেছেন। গত ৩ অক্টোবর বাগ্দান সম্পন্ন হয়েছে বলেই শোনা যায়, তবে সেই খবরও এখনও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়নি।
সব মিলিয়ে, বিজয়–রশ্মিকার বিয়ে নিয়ে রহস্য যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে রাজকীয় চমক। পিচোলা ঝিলের ধারে ইতিহাসের সাক্ষী এক প্রাসাদে যদি সত্যিই তাঁদের নতুন জীবন শুরু হয়, তা হলে নিঃসন্দেহে তা হয়ে উঠবে বছরের অন্যতম আলোচিত তারকাবিয়ে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা—তারকাজুটি কবে নিজেরাই সুখবরটি প্রকাশ্যে আনেন।
প্রোটিন শেক নয়, ‘ঘরোয়া খিচুড়ি’ই ভরসা: শরীরচর্চার পরে হৃতিক রোশন যা খান, জানলে চমক লাগবেই