পরীমণির একাকীত্ব: কবে সবচেয়ে বেশি একা লাগে তাঁকে? মুক্তির পথ কী?

পরীমণির একাকীত্ব! জীবন অনেক চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যে দিয়ে গেছে পরীমণির। কারাবাস, সম্পর্কের ভাঙন, নতুন করে শুরু করার লড়াই—সবই সয়ে এসেছেন তিনি। জনপ্রিয়তা, ব্যস্ততা, ভালোবাসার গুঞ্জন—সব মিলিয়ে এক ঝলমলে জীবন দেখালেও, তাঁর…

March 11, 2025
1 min read

পরীমণির একাকীত্ব!

জীবন অনেক চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যে দিয়ে গেছে পরীমণির। কারাবাস, সম্পর্কের ভাঙন, নতুন করে শুরু করার লড়াই—সবই সয়ে এসেছেন তিনি। জনপ্রিয়তা, ব্যস্ততা, ভালোবাসার গুঞ্জন—সব মিলিয়ে এক ঝলমলে জীবন দেখালেও, তাঁর অন্তরের কোণে বাসা বেঁধেছে একাকীত্ব। বিশেষ করে খাওয়ার টেবিলে বসলে আরও বেশি করে মনে পড়ে হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জনদের কথা।

একাকীত্বের কারণ কী?

অনেক দিন আগেই বিচ্ছেদ ঘটেছে পরীমণির বৈবাহিক সম্পর্কে। এখন তাঁর একমাত্র সঙ্গী দুই সন্তান। নিজের ব্যবসাও শুরু করেছেন, কেরিয়ারেও সফল তিনি। তবুও মাঝেমধ্যেই একা লাগে তাঁর। সম্প্রতি বাংলাদেশি জনপ্রিয় গায়ক শেখ সাদীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের গুঞ্জন উঠেছে। আদালতে হাজিরা না দেওয়ার কারণে যখন পরীমণির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়, তখন জামিনদার হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সাদী। তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাওয়া, সামাজিক মাধ্যমে একে অপরের প্রতি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট—সব মিলিয়ে তাঁদের ঘিরে কৌতূহল কম নেই। কিন্তু এতকিছুর মাঝেও যেন কোথাও এক শূন্যতা থেকে যাচ্ছে অভিনেত্রীর মনে।

নানুভাইয়ের শূন্যতা

আগে পরীমণির পরিবারের একটি বড় অংশ ছিলেন তাঁর দাদু, যাকে তিনি ভালোবেসে ‘নানুভাই’ বলে ডাকতেন। কিন্তু গত বছর দাদুর মৃত্যু তাঁর জীবনে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি করেছে। তিনি স্বীকার করলেন, তাঁর একাকীত্ব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয় যখন তিনি একা খেতে বসেন।

পরীমণি লিখেছেন,
“কত অসহায় লাগে আমার নিজেকে যখন একা একা খেতে বসতে হয়। শুধু এই একটা সময়ই আমার নিজেকে বড্ড একা লাগে। নানুভাই বেঁচে থাকতে বুঝতেই পারিনি আমি এমনভাবে একা! যে সময়েই খেতে বসতাম, নানুভাই পাশে থাকতেন। এখন সে জায়গাটা ফাঁকা।”

রমজানে আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে একাকীত্ব

এই মুহূর্তে চলছে পবিত্র রমজান মাস। কিন্তু ইফতার বা সেহরির সময়ও আগের মতো আনন্দ পান না পরীমণি। তিনি জানান, এখন আর সেই বিশেষ আয়োজনের অনুভূতি থাকে না। একা একা ইফতার করতে বসলে হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষদের কথা আরও বেশি মনে পড়ে যায়।

সন্তানরাই আশার আলো

পরীমণির দুই সন্তান এখনও ছোট—ছেলের বয়স মাত্র দুই, আর মেয়ের এক বছর। তাই তাঁদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে খাওয়ার সুযোগ হয় না। তবে তিনি আশাবাদী, ভবিষ্যতে এই একাকীত্ব কেটে যাবে।

তিনি লেখেন,
“আমি সব সয়ে নতুন করে বাঁচার মানুষ। আমি জানি, আমার বাচ্চারা বড় হয়ে গেলে আবার নতুন করে সুখী মানুষ হয়ে যাব। তখন একা বসে খেতে হবে না।”

তবে কি আবার বিয়ে করবেন?

অনেকেই কৌতূহলী, পরীমণি কি আবার বিয়ে করার কথা ভাবছেন? না কি সন্তানদের সঙ্গেই এক নতুন জীবনে পথ চলবেন? সে উত্তর এখনো খোলসা করেননি অভিনেত্রী। তবে একাকীত্ব কাটিয়ে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

জীবনে অনেক চ্যালেঞ্জ এলেও, পরীমণি বরাবরই এক নতুন ভোরের অপেক্ষায় থাকেন। এবারও হয়তো সে রকমই হবে—একদিন তাঁর চারপাশ ভরে উঠবে হাসি, কথা আর ভালোবাসায়।

ভারতের বদলার জয়: ২৫ বছর পর নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি রোহিতদের হাতে

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *