নীরব আবেগে বাঁধা পড়ল নতুন বন্ধন: ঐন্দ্রিলার ছবির সামনে আইনি বিয়ে সারলেন ঐশ্বর্যা, অতিথি হয়ে এলেন সব্যসাচী

ঐন্দ্রিলার ছবির সামনে আইনি বিয়ে সারলেন ঐশ্বর্যা! শর্মা পরিবারে আবার খুশির আলো। দীর্ঘ শোক আর নিঃশব্দ লড়াইয়ের পর জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন প্রয়াত অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মার দিদি ঐশ্বর্যা শর্মা।…

February 4, 2026
0 min read

ঐন্দ্রিলার ছবির সামনে আইনি বিয়ে সারলেন ঐশ্বর্যা!

শর্মা পরিবারে আবার খুশির আলো। দীর্ঘ শোক আর নিঃশব্দ লড়াইয়ের পর জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন প্রয়াত অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মার দিদি ঐশ্বর্যা শর্মা। মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি আইনি বিয়ে সারলেন তিনি। ছোট, ঘরোয়া আয়োজনে হল আংটিবদল। তবে সেই মুহূর্তের আবেগ ছিল গভীর—বোন ঐন্দ্রিলার ছবির সামনে দাঁড়িয়েই নতুন জীবনের শপথ নিলেন ঐশ্বর্যা।

২০২২ সালে ঐন্দ্রিলার আকস্মিক প্রয়াণের পর যেন থমকে গিয়েছিল গোটা পরিবার। বিশেষ করে দিদি ঐশ্বর্যা প্রায় এক বছর নিজেকে আড়াল করে রেখেছিলেন সকলের কাছ থেকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টা শুরু হয়। সেই যাত্রাপথেই আজকের এই নতুন অধ্যায়।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঐন্দ্রিলার একদা প্রেমিক, অভিনেতা সব্যসাচী চৌধুরী। সাদা শার্ট আর ডেনিম প্যান্টে, একেবারে অনাড়ম্বর ভঙ্গিতে তিনি পৌঁছে যান শর্মা পরিবারের বাড়িতে। হাতে উপহার, মুখে নরম হাসি—অতীতের সম্পর্ক ছাপিয়ে আজ তিনি পরিবারের অতিথি। অনুষ্ঠানকক্ষে ঢুকতেই ঐন্দ্রিলার পোষ্যদের উচ্ছ্বাস যেন মুহূর্তে আবেগ আরও ঘন করে তোলে।

মেয়ের বিয়ের দিনে অতীতের যন্ত্রণা নিয়ে কথা বলতে চাননি মা শিখা শর্মা। তাঁর গলায় ছিল শান্ত দৃঢ়তা। তিনি বলেন, “আমি জানি, ও আমাদের চারপাশেই আছে। আজ আমার বড় মেয়ের জীবনের একটা খুব সুন্দর দিন। আমি চাই, ঐশ্বর্যা আর দিব্যজিৎ এভাবেই সুখে থাকুক।”

আনুষ্ঠানিকতার মাঝেই খানিকটা আলো নিজের দিকে টেনে নেন সব্যসাচী। আত্মীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের ফাঁকে পুরনো দিনের স্মৃতিও উঠে আসে। পরিচিতজনদের কথায় বহরমপুরের প্রথম আলাপের গল্প মনে পড়তেই অভিনেতা মৃদু হেসে বলেন, “মনে থাকবে না? বহরমপুরেই তো আলাপ হয়েছিল।”

ঐশ্বর্যা শর্মা পেশায় চিকিৎসক। বর্তমানে তিনি ইএনটি বিষয়ে এমএস করছেন। তাঁর জীবনসঙ্গী দিব্যজিৎ দত্তও চিকিৎসক। বহুদিনের পরিচয়, ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব, আর তারপর ম্যাট্রিমনিয়াল সাইটের মাধ্যমে সম্পর্ক এগোয়। সেই সম্পর্কই এ বার আইনি স্বীকৃতি পেল।

কোনও জাঁকজমক নয়, কোনও আলোর রোশনাই নয়—এই বিয়ে ছিল আবেগ, স্মৃতি আর নতুন আশার মেলবন্ধন। শোকের ছায়া পেরিয়ে জীবনের দিকে ফেরার এক নিঃশব্দ কিন্তু দৃঢ় ঘোষণা। ঐন্দ্রিলার উপস্থিতি ছিল না, তবু তাঁর ছবির সামনে দাঁড়িয়েই যে ভালোবাসা আর আশীর্বাদের অনুভব—সেটাই ছিল এই দিনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

প্রোটিন শেক নয়, ‘ঘরোয়া খিচুড়ি’ই ভরসা: শরীরচর্চার পরে হৃতিক রোশন যা খান, জানলে চমক লাগবেই

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *