চহালের বার্তার পর ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্টে ধনশ্রীর পালটা?
সম্পর্ক শেষ হয়েছে, কিন্তু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখনো তাঁরা। যুজবেন্দ্র চহাল এবং ধনশ্রী বর্মার ব্যক্তিগত জীবন যেন থামছেই না খবরে। বিবাহবিচ্ছেদ মামলা এখনো বিচারাধীন, তবে সাম্প্রতিক কিছু পোস্ট ঘিরে আবারও শুরু হয়েছে জল্পনা—এই বার্তা কি একে অপরের উদ্দেশে?
গত বৃহস্পতিবার, ঠিক যখন তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের মামলার শুনানি চলছিল, চহাল একটি লেখা-যুক্ত টি-শার্ট পরে প্রকাশ্যে আসেন। সেখানে লেখা ছিল, “নিজেই নিজের সুগার ড্যাডি হও”। এই বাক্যটিকে অনেকেই প্রাক্তন স্ত্রী ধনশ্রীর প্রতি এক রকম কটাক্ষ হিসেবেই দেখছেন। কারও কারও মতে, চহাল হয়তো বলতে চেয়েছেন—নিজের খরচ নিজের মতো করে চালাও, আর আমার উপর আর নির্ভর কোরো না।
এই বিতর্কের মাঝেই ধনশ্রী বর্মা এবার নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে বেশ কিছু ছবি ও কথার মাধ্যমে একরকম জবাব দিলেন বলেই মনে করছেন নেটিজেনদের একাংশ। ধনশ্রী বর্তমানে রয়েছেন দুবাইয়ে—একটা শহর, যেটা তাঁর কাছে শুধুই ভ্রমণের জায়গা নয়, বরং স্মৃতিমাখা জীবনের অংশ।
পোস্টে ধনশ্রী লিখেছেন,
“প্রায় গোটা একটা জীবন পার করার পর আবার দুবাইয়ে ফিরে এলাম। এই শহরেই বড় হয়েছি। এখানে ফিরে এসে আবার সেই স্মৃতিগুলো মাথায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। শহরটা অনেক এগিয়ে গিয়েছে, আর তা দেখে যেন একটা আত্মিক শান্তি অনুভব করছি।”
শুধু স্মৃতি নয়, ধনশ্রী জানিয়েছেন, এই শহরের কাছে তিনি কৃতজ্ঞ। কারণ এখান থেকেই জীবনে লড়াই করার এবং নিজেকে তৈরি করার ভিত গড়ে উঠেছে তাঁর।
তিনি আরও লেখেন, “এই সুন্দর মন্দিরে আসতে পেরে খুব ভাল লাগছে। এখানে শান্তি রয়েছে, আবার শক্তিও। এই মন্দির যেন মনে করিয়ে দেয়, কীভাবে এই শহর সব ধর্ম ও সংস্কৃতিকে জায়গা দিয়েছে।”
এই কথাগুলোর মধ্যেই যেন লুকিয়ে এক নতুন বার্তা—স্বনির্ভরতা, আত্মবিশ্বাস, ও আধ্যাত্মিক শক্তি। চহালের ‘সুগার ড্যাডি’ মন্তব্যের বিপরীতে ধনশ্রীর এই বার্তা যেন অনেক বেশি পরিণত ও ইতিবাচক।
প্রোটিন খেয়ে মেদ ঝরাতে গিয়ে বেড়ে যেতে পারে ওজন, কোন ভুলে এমন হতে পারে?