ভারতের মাটিতে আলাদা লক্ষ্য নিয়ে নামছে নিউ জ়িল্যান্ড!
ভারতের বিরুদ্ধে আসন্ন সাদা বলের দ্বৈরথের জন্য দল ঘোষণা করল নিউ জ়িল্যান্ড ক্রিকেট দল। জানুয়ারিতে ভারত সফরে এসে কিউয়িরা খেলবে তিন ম্যাচের এক দিনের সিরিজ় এবং পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ়। দুই ফরম্যাটে দুই রকম লক্ষ্য— আর সেই লক্ষ্য পূরণে দুই ভিন্ন অধিনায়ক বেছে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।
টি-টোয়েন্টি দলে নেতৃত্ব দেবেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মিচেল স্যান্টনার। অন্য দিকে, এক দিনের দলে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মাইকেল ব্রেসওয়েল-এর কাঁধে। ভারতের মাটিতে এই সফরকে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবেই দেখছে কিউয়িরা, বিশেষ করে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে।
ভারত-নিউ জ়িল্যান্ড এক দিনের সিরিজ় শুরু হবে ১১ জানুয়ারি থেকে। তিন ম্যাচের সেই সিরিজ়ের পর ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি লড়াই। টি-টোয়েন্টি দল প্রায় বিশ্বকাপের সম্ভাব্য স্কোয়াড হিসেবেই তৈরি করা হয়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে নিউজিল্যান্ড শিবির। সেই কারণে এই সিরিজ়ে খুব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পথে হাঁটেনি তারা।
এক দিনের দলে অবশ্য কিছু নতুন মুখের সুযোগ রাখা হয়েছে। তার মধ্যেই নজর কেড়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত তরুণ অফস্পিনার আদি অশোক। তাঁর অন্তর্ভুক্তি ভারতীয় দর্শকদের কাছেও বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে। পাশাপাশি দলে রয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার ডেভন কনওয়ে, অলরাউন্ডার ড্যারেল মিচেল এবং গতিময় পেসার কাইল জেমিসন।
এক দিনের সিরিজ়ের জন্য ঘোষিত ১৫ জনের দল:
মাইকেল ব্রেসওয়েল (অধিনায়ক), আদি অশোক, ক্রিস্টিয়ান ক্লার্ক, জশ ক্লার্কসন, ডেভন কনওয়ে, জ্যাক ফকস, মিচ হে (উইকেটরক্ষক), কাইল জেমিসন, নিক কেলি, জায়ডেন লেনক্স, ড্যারেল মিচেল, হেনরি নিকোলাস, গ্লেন ফিলিপস, মাইকেল রাই ও উইল ইয়ং।
টি-টোয়েন্টি দলে কিছু সিনিয়র খেলোয়াড়কে বিশ্রাম দেওয়া হলেও মূল শক্তিটা অটুট রাখা হয়েছে। এই স্কোয়াডই বিশ্বকাপের মঞ্চে নামবে— এমন বার্তাই দিতে চেয়েছে কিউয়িরা। টি-টোয়েন্টি দলে রয়েছেন অলরাউন্ডার জেমস নিশাম, তরুণ তারকা রাচিন রবীন্দ্র এবং স্পিন বিভাগে ভরসা ইশ সোধি।
টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ের দল:
মিচেল স্যান্টনার (অধিনায়ক), মাইকেল ব্রেসওয়েল, মার্ক চ্যাপম্যান, ডেভন কনওয়ে (উইকেটরক্ষক), জেকব ডাফি, জ্যাক ফকস, ম্যাট হেনরি, কাইল জেমিসন, বেভন জ্যাকবস, ড্যারেল মিচেল, জেমস নিশাম, গ্লেন ফিলিপস, রাচিন রবীন্দ্র, টিম রবিনসন ও ইশ সোধি।
সব মিলিয়ে, ভারতের মাটিতে এই সফর কিউয়িদের জন্য শুধুই দ্বিপাক্ষিক সিরিজ় নয়— বরং বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শক্তি-দুর্বলতা ঝালিয়ে নেওয়ার বড় মঞ্চ। দুই অধিনায়কের নেতৃত্বে দুই ফরম্যাটে কেমন পারফরম্যান্স দেয় নিউজিল্যান্ড, সেটাই এখন দেখার।