তৃণমূলের ২০ সাংসদের সমর্থনে এনডিএ ৩০০ পেরোল!
লোকসভায় সংখ্যার অঙ্কে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের সমর্থন পাওয়ায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের শক্তি ৩০০-এর গণ্ডি পেরিয়ে গিয়েছে। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, শুধু ৩০০ পেরোনোই যথেষ্ট নয়। সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করাতে যে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন, সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে এখনও বেশ কিছুটা পথ বাকি।
বর্তমানে লোকসভায় এনডিএর সদস্যসংখ্যা ২৯২। তৃণমূলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদের সমর্থন যুক্ত হলে সেই সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৩১২-তে। ফলে সংসদে সরকারের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
তবে কেন্দ্রীয় সরকারের সামনে রয়েছে আরও বড় লক্ষ্য। ‘এক দেশ, এক ভোট’, লোকসভা আসন পুনর্বিন্যাস কিংবা মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার মতো সংবিধান সংশোধনমূলক বিল পাশ করতে প্রয়োজন দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন। ৫৪৩ সদস্যের লোকসভায় সেই সংখ্যা সাধারণত ৩৬২। বর্তমানে কয়েকটি আসন শূন্য থাকায় কার্যকর সংখ্যা ৩৬১-এর কাছাকাছি।
রাজনৈতিক সূত্রের মতে, সম্প্রতি বিরোধী জোট থেকে দূরত্ব তৈরি হওয়া ডিএমকের ২২ জন সাংসদ যদি এনডিএর পাশে দাঁড়ান, তা হলেও জোটের শক্তি ৩৩৪-এ পৌঁছবে। কিন্তু তাতেও প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা মিলবে না।
এই কারণেই বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের সাংসদদের দিকে নজর রাখছে বিজেপি নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, উদ্ধব ঠাকরে শিবিরের শিবসেনা (ইউবিটি), শরদ পওয়ারপন্থী এনসিপি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, শিরোমণি অকালি দল এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের কয়েকটি আঞ্চলিক দলের সাংসদদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা হতে পারে আগামী দিনে।
এ দিকে দিল্লিতে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী সাংসদের উপস্থিতির খবর সামনে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের দাবি, এই তালিকায় রয়েছেন কয়েক জন পরিচিত সাংসদও। পাশাপাশি আরও কিছু জনপ্রতিনিধির নাম ঘিরেও জল্পনা চলছে, যাঁরা ভবিষ্যতে শিবির বদল করতে পারেন বলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে বাস্তব চিত্র হল, এনডিএর শক্তি ৩০০ পার করলেও দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার লক্ষ্য এখনও অধরা। তাই আগামী বাদল অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলি নিয়ে কেন্দ্র কী কৌশল নেয় এবং বিরোধী শিবিরে ভাঙনের রাজনীতি কতটা এগোয়, সেদিকেই নজর থাকবে দেশের রাজনৈতিক মহলের।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?