জুলাই থেকে কাজের ফোনগুলোই আসলে মায়ের আশীর্বাদ: সৃজলা

কাজের ফোনগুলোই আসলে মায়ের আশীর্বাদ: সৃজলা! বছরভর অপেক্ষা। পুজোর আগমনের মুহূর্তে আনন্দ আর উদ্দীপনা সব মিলিয়ে এক অন্যরকম তৃপ্তি। এই অনুভূতিতেই সৃজলা গুহও রয়েছেন। তবে এই পুজোর মুখে তাঁর শহরের…

September 27, 2025
0 min read

কাজের ফোনগুলোই আসলে মায়ের আশীর্বাদ: সৃজলা!

বছরভর অপেক্ষা। পুজোর আগমনের মুহূর্তে আনন্দ আর উদ্দীপনা সব মিলিয়ে এক অন্যরকম তৃপ্তি। এই অনুভূতিতেই সৃজলা গুহও রয়েছেন। তবে এই পুজোর মুখে তাঁর শহরের পরিস্থিতি একেবারেই ভিন্ন, যা একদম সহজ নয়। আনন্দবাজার ডট কমকে অভিনেত্রী জানালেন, “খুব আনন্দের মধ্যেও এটা বেশ মন খারাপের বিষয়। কলকাতার বহু এলাকা এখনও জলের নীচে। ব্যবসা ও দৈনন্দিন জীবন অনেকটাই বিপর্যস্ত হয়েছে। আমরা সবাই প্রচুর ঝড়ঝাপটার সম্মুখীন হচ্ছি।”

যদিও তৃতীয়া থেকে খানিক রোদ দেখা দেওয়ায় আশা জাগছে, আর এই স্বস্তিই সৃজলার মুখে হাসি ফোটাচ্ছে। তিনি বলেন, “এবারের পুজোটা হয়তো উপভোগ্য হবে। আশা করছি পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে।”

সৃজলা জানালেন, এই বছর তাঁর ব্যস্ততা বেশীই। তবে তিনি সেটিকে কষ্ট মনে করছেন না, বরং উপভোগ করছেন। অভিনেত্রী বললেন, “আমাদের পেশা তো এক ধরনের ব্যবসা। যখন সেটি সফলভাবে এগোয়, তখন পুজোটা উপভোগ করার সুযোগ পাওয়া যায়। জুলাই মাস থেকে যখন কাজের ফোনগুলো আসতে থাকে, প্রত্যেকটি ফোন আমাদের জন্য বিশেষ অনুভূতি দেয়। মনে হয়, মা আসছেন ঘরে। এভাবেই বুঝি পুজো চলে এসেছে। এটাই আমার কাছে মায়ের আশীর্বাদ।”

তিনি জানান, পুজোর সময়ও তাঁর ব্যস্ততা কমছে না। “শহরের পরিস্থিতি ঠিক না থাকায় একের পর এক কাজ পিছিয়ে যাচ্ছে। আমি প্রার্থনা করি আমার পুজোটা যেন ব্যস্ত এবং ফলপ্রসূ হয়। কাজের ফাঁকে পুজোর প্রস্তুতি হয় ‘জাস্ট গো উইথ দ্য ফ্লো’ দর্শনে। এখনকার দিনে কেউ আলাদা করে কেনাকাটা করেন না, বরং সারা বছরই চলতে থাকে। তবে পছন্দের মানুষের জন্য উপহার দেওয়ার আনন্দ দারুণ। তাদের খুশি দেখতে ভালো লাগে।”

সৃজলা কাজের ক্ষেত্রে খুব খুঁতখুঁতে। নতুন প্রস্তাব বেছে নেন। তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে হাতে কয়েকটি কাজের প্রস্তাব আছে। তবে বর্তমানে ব্র্যান্ডের কাজ নিয়েই সময় কাটছে। সকলের আশীর্বাদ এবং মায়ের আশীর্বাদ থাকলে খুব শিগগিরই নতুন কিছু কাজ নিয়ে হাজির হতে পারব।”

সৃজলার কথায় বোঝা যায়, পুজো শুধু উৎসব নয়, তা তাঁর জন্য জীবনের একটি অংশ—ব্যস্ততা, সাফল্য, পরিবার আর মায়ের আশীর্বাদ সব মিলিয়ে। কাজের ফোনের প্রতিটিই যেন পুজোর আগমনের ঘনিষ্ঠ প্রমাণ। জুলাই থেকে আসা সেই ফোনগুলোই তাঁর মনে করিয়ে দেয়, মা এসেছে ঘরে, আর পুজোর আনন্দ শুরু হয়ে গেছে।

সৃজলা গুহের এই ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি দেখায়, কিভাবে শিল্পী জীবনে পেশাগত ব্যস্ততা ও উৎসবের আনন্দ একসাথে মিলিয়ে থাকে, আর তা ব্যক্তিগত অনুভূতির সঙ্গে মিশে নতুন এক তৃপ্তি তৈরি করে।

অল্পেই প্রাচুর্য: নিজস্ব নিয়মে ত্বকচর্চায় আগ্রহী বিবৃতি চট্টোপাধ্যায়

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *