ছাত্রীদের সঙ্গে প্রেমের নামে প্রতারণা! ভয় দেখিয়ে গর্ভপাত, অবশেষে বহিষ্কৃত অধ্যাপক

ছাত্রীদের সঙ্গে প্রেমের নামে প্রতারণা! শিক্ষক মানেই শ্রদ্ধার আসনে বসানো মানুষ— ছোটবেলা থেকে এমনটাই শেখানো হয় আমাদের। কিন্তু যখন সেই শিক্ষকই ভরসা ভেঙে, নীতির সীমা অতিক্রম করেন, তখন প্রশ্ন ওঠে—…

May 1, 2025
1 min read

ছাত্রীদের সঙ্গে প্রেমের নামে প্রতারণা!

শিক্ষক মানেই শ্রদ্ধার আসনে বসানো মানুষ— ছোটবেলা থেকে এমনটাই শেখানো হয় আমাদের। কিন্তু যখন সেই শিক্ষকই ভরসা ভেঙে, নীতির সীমা অতিক্রম করেন, তখন প্রশ্ন ওঠে— এমন শিক্ষকের হাতে কি আমাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপদ? সম্প্রতি চিনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঠিক এমনই এক অধ্যাপকের কুকীর্তি ফাঁস হয়েছে, যা রীতিমতো চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

শানডং প্রদেশের লিয়াওচেং বিশ্ববিদ্যালয়ের ডংচাং কলেজে অর্থনীতির অধ্যাপক হিসেবে গত আট বছর ধরে কর্মরত ছিলেন এক ব্যক্তি, যাঁর নাম ‘উ’। শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের চোখে তিনি ছিলেন একজন প্রজ্ঞাবান শিক্ষক। কিন্তু পর্দার আড়ালে চলছিল একের পর এক নৈতিকতা ভাঙার ঘটনা।

সম্প্রতি কলেজ কর্তৃপক্ষের হাতে আসে একটি বেনামি চিঠি, যা থেকেই প্রকাশ্যে আসে অধ্যাপক উ-এর গোপন জীবন। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, তিনি নিজের প্রকৃত বয়স, পারিবারিক অবস্থা এবং পেশাগত পরিচয় গোপন রেখে ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। অভিযোগ অনুসারে, শুধু নিজের কলেজের নয়, পাশের কলেজেরও অন্তত দশজন ছাত্রীর সঙ্গে মিথ্যা পরিচয়ে সম্পর্ক তৈরি করেন তিনি।

সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযোগটি হল— এক ছাত্রী যখন তাঁর সন্তানে গর্ভবতী হয়ে পড়েন, তখন অধ্যাপক উ তাঁকে ভয় দেখিয়ে জোর করে গর্ভপাত করান। একটি শিক্ষিত, দায়িত্বশীল পেশার মানুষ হয়ে এমন মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের দায় অস্বীকার করা যায় না বলেই মত অনেকের।

চিঠি হাতে পাওয়ার পরেই ডংচাং কলেজ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তদন্তে নামে। খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখে তারা নিশ্চিত হয় অভিযোগের সত্যতা। এরপর কোনওরকম দেরি না করে অধ্যাপক উ-কে কলেজ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এই ঘটনার পর চীনজুড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আলোড়ন ছড়িয়েছে। বহু অভিভাবক প্রশ্ন তুলছেন— শুধুমাত্র ডিগ্রি থাকলেই কি শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা প্রমাণ হয়? নাকি শিক্ষকের চরিত্রও সমান জরুরি?


শেষ কথা:
এই ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়— শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি একটি গুরু দায়িত্ব। যেখানে বিশ্বাস, সততা আর মানবিকতা ছাড়া শিক্ষাদানের কোনো মূল্য নেই। শিক্ষক যদি সেই বিশ্বাস ভেঙে দেন, তাহলে তা শুধু একজন ছাত্রীর নয়, গোটা সমাজের উপরই গভীর প্রভাব ফেলে। তাই শিক্ষক নির্বাচনে যেমন যোগ্যতার মূল্যায়ন জরুরি, তেমনই মূল্যায়ন হওয়া দরকার তাঁর নৈতিকতারও।

অক্ষয়তৃতীয়ায় ঐতিহ্যের সাক্ষী দিঘা! মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জগন্নাথধামে মহাযজ্ঞ, দ্বারোদ্ঘাটনের আগেই আধ্যাত্মিক আবহ

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *