চা-কফি ছাড়াই ফিট ৬০! মিলিন্দ সোমনের অভ্যাস কি সত্যিই সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি?

মিলিন্দ সোমনের অভ্যাস কি সত্যিই সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি? ৬০ বছর বয়সেও দুর্দান্ত ফিটনেস, অদম্য এনার্জি আর তরুণদের টেক্কা দেওয়ার মতো জীবনযাপন— এই কারণেই বারবার আলোচনায় আসেন অভিনেতা ও মডেল মিলিন্দ…

July 17, 2026
1 min read

মিলিন্দ সোমনের অভ্যাস কি সত্যিই সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি?

৬০ বছর বয়সেও দুর্দান্ত ফিটনেস, অদম্য এনার্জি আর তরুণদের টেক্কা দেওয়ার মতো জীবনযাপন— এই কারণেই বারবার আলোচনায় আসেন অভিনেতা ও মডেল মিলিন্দ সোমন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর জীবনে চা বা কফির কোনও জায়গাই নেই। এই মন্তব্যের পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে, ক্যাফেইন এড়িয়ে চলাই কি তাঁর সুস্থ থাকার অন্যতম রহস্য?

ভারতে অধিকাংশ মানুষের দিন শুরু হয় এক কাপ চা বা কফি দিয়ে। অনেকেই দিনে একাধিক বার এই পানীয় পান করেন। ফলে মিলিন্দের মতো সম্পূর্ণ চা-কফি ছাড়া জীবনযাপন অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি এতটা সহজ নয়।

পুষ্টিবিদদের মতে, পরিমিত পরিমাণে চা ও কফি খেলে শরীরের উপকারও হয়। এই দুই পানীয়েই রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যা শরীরের কোষকে ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিক্যালের প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ক্যাফেইন সাময়িকভাবে মনোযোগ বাড়াতে, ক্লান্তি কমাতে এবং কর্মক্ষমতা উন্নত করতেও ভূমিকা রাখে।

তবে সমস্যা শুরু হয় যখন চা বা কফিতে অতিরিক্ত চিনি, ঘন দুধ বা কৃত্রিম ফ্লেভার মেশানো হয়। তখন স্বাস্থ্যগুণ অনেকটাই কমে যায়। একই সঙ্গে দিনে বারবার চা-কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ঘুমের সমস্যা, অম্বল, বুকজ্বালা, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া কিংবা উদ্বেগের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা তাই রাতে ক্যাফেইন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন।

অন্য দিকে, কেউ যদি চা-কফি একেবারেই না খান, তাতেও শরীরের কোনও ঘাটতি তৈরি হয় না। প্রয়োজনীয় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সহজেই পাওয়া যায় তাজা ফল, সবুজ শাকসবজি, বাদাম ও বিভিন্ন বীজ থেকে। আখরোট, কাঠবাদাম, পেস্তা, তিসি, কুমড়োর বীজ কিংবা সূর্যমুখীর বীজ নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়।

গরম পানীয়ের বিকল্প হিসেবেও রয়েছে একাধিক স্বাস্থ্যকর উপায়। আদা, পুদিনা, জিরে বা মৌরি দিয়ে তৈরি ভেষজ পানীয় যেমন উপকারী, তেমনই ডাবের জল, ঘোল বা লেবু-জলও শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

অতএব, সুস্থ থাকতে চা বা কফি সম্পূর্ণ ছেড়ে দেওয়াই একমাত্র পথ— এমন ধারণা সঠিক নয়। আবার অতিরিক্ত নির্ভরশীলতাও স্বাস্থ্যকর নয়। আসল বিষয় হল ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। মিলিন্দ সোমনের ক্ষেত্রে চা-কফি না খাওয়ার অভ্যাস তাঁর সামগ্রিক শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনধারারই একটি অংশ, একমাত্র কারণ নয়।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *