চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডে উত্তাল রাজনীতি!
বিজেপি নেতা Suvendu Adhikari-র ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের হাসপাতালে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলনেতা দাবি করেন, “এটি পরিকল্পিত ভাবে ঠান্ডা মাথায় করা খুন।” তাঁর পাশে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী Sukanta Majumdar।
শুভেন্দুর বক্তব্য, কয়েক দিন ধরে রেকি করে এই হামলার ছক কষা হয়েছিল। যদিও তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক যোগ থাকতে পারে বলে সন্দেহ হলেও, তদন্তের স্বার্থে এখনই সে বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে চান না।
বিজেপি নেতার দাবি, রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে তাঁকে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। তবে তদন্ত যাতে প্রভাবিত না হয়, সে কারণে ফুটেজ নিয়ে তিনি কোনও বিস্তারিত জানতে চাননি বলেও জানান শুভেন্দু।
এ দিন তিনি আরও বলেন, “আমরা পুলিশের তদন্তের উপর ভরসা রাখছি। দোষীরা দ্রুত ধরা পড়বে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।” একই সঙ্গে নিহত চন্দ্রনাথ রথের পরিবার এবং আহতদের চিকিৎসার সমস্ত দায়িত্ব বিজেপি নেবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।
তবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও দলীয় কর্মী-সমর্থকদের প্রতি সংযত থাকার বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি স্পষ্ট ভাবে আবেদন করেন, কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন এবং শান্তি বজায় রাখেন।
হাসপাতাল চত্বর থেকেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন বিজেপি নেতা। তাঁর অভিযোগ, “দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে রাজ্যে প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে।” একই দিনে খড়দহে বোমাবাজি, বরাহনগরে ছুরিকাঘাত এবং বসিরহাটে বিজেপি কর্মীদের উপর গুলিচালনার ঘটনাও তুলে ধরেন তিনি।
চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ড ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তদন্তে কী উঠে আসে এবং সত্যিই এর পিছনে কোনও বড় রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, এখন সেটাই দেখার।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা