‘গোলাপি ডানার পাখি’!
ইউক্রেনের তৈরি এফপি-৫ ফ্লেমিঙ্গো ক্রুজ় ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়ার গভীরে হামলার সক্ষমতা বাড়ানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে উঠে এসেছে। ফায়ার পয়েন্ট সংস্থার তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০২৫ সালের অগস্টে প্রথম প্রকাশ্যে আসে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কি পরে এর ধারাবাহিক উৎপাদনের কথা জানান।
ফ্লেমিঙ্গোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল খুব নিচু দিয়ে উড়তে পারার ক্ষমতা। ইউক্রেনীয় সূত্রের দাবি, এটি মাটি থেকে কয়েক দশ মিটার উপর দিয়ে উড়তে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গতিপথও বদলাতে পারে। ফলে প্রচলিত রাডারের পক্ষে একে শনাক্ত করা তুলনামূলক কঠিন হতে পারে। তবে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা একই সঙ্গে জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্রটির বড় আকার এবং সাবসনিক গতি তার দুর্বলতাও হতে পারে।
ইউক্রেনের দাবি অনুযায়ী, ফ্লেমিঙ্গোর পাল্লা প্রায় ৩,০০০ কিলোমিটার এবং এর ওয়ারহেডের ওজন প্রায় ১,১৫০ কেজি। এতে ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা এবং চূড়ান্ত লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য টার্মিনাল সিকার রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
২০২৬ সালের জুনে কয়েকটি ফ্লেমিঙ্গো রাশিয়ার ভূখণ্ডে ১,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ পাড়ি দিয়ে হামলা চালিয়েছে বলে কিভ দাবি করে। রাশিয়ার পক্ষ থেকেও ক্ষেপণাস্ত্রটির ভিডিয়ো প্রকাশ করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
তবে ফ্লেমিঙ্গোকে ঘিরে সব দাবিই যে স্বাধীন ভাবে নিশ্চিত, তা নয়। ক্ষেপণাস্ত্রটির কার্যক্ষমতা, পাল্লা, উৎপাদনের হার এবং রাডার এড়ানোর সক্ষমতা নিয়ে ইউক্রেনীয় সূত্রের বক্তব্যের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের ভিন্ন মূল্যায়নও রয়েছে। ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে এর প্রকৃত কার্যকারিতা কতটা, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।