কৃষ্ণনগরে তরুণীর রহস্যমৃত্যু
কৃষ্ণনগরে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু ঘিরে নতুন মোড় নিচ্ছে পুলিশি তদন্ত। ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত প্রমাণ এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে, তদন্তকারীরা এখন একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা—রাত ১০টা ১২ থেকে ১১টা ১২ মিনিটের মধ্যে কী ঘটেছিল, সেটাই বের করার চেষ্টা করছেন। এই এক ঘণ্টার রহস্য সমাধান হলেই, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
কী ঘটেছিল সেই ৬০ মিনিটে?
মৃতার প্রেমিকের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তিনি একটি কমন ফ্রেন্ডের ফোন পেয়ে রাত ১০টা ১২ মিনিটে বাড়ি ছাড়েন। পরে কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজ চত্বরে তাঁকে দেখা যায়। সেই সময়ের পর তাঁর ফোনে একাধিকবার কল করা হয়েছিল মৃতার ফোন থেকে, কিন্তু প্রেমিক দাবি করেছেন, তাঁদের মধ্যে মাত্র একবারই কথা হয়েছিল। প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ নিয়ে কথা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেছেন। তদন্তে উঠে আসা মোবাইল টাওয়ারের লোকেশন অনুযায়ী, দুজনই প্রায় একই এলাকায় ছিলেন। কিন্তু তাঁদের মধ্যে দেখা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।
ছয়টি প্রশ্ন যা তদন্তকারীদের ভাবাচ্ছে:
১. তরুণীর কলেজ মাঠে দেখা মিলেছিল—কিন্তু কীভাবে এবং কেন তিনি সেখানে পৌঁছেছিলেন?
২. প্রেমিকের দাবি—ঘটনার দিন তিনি কৃষ্ণনগরে ছিলেন না, রানাঘাটে ছিলেন। তা হলে কেন তাঁর ফোনে প্রেমিকার বারবার কল গিয়েছে? তাদের মধ্যে কী ধরনের কথা হয়েছিল?
৩. তৃতীয় ব্যক্তির ভূমিকা—তাদের সম্পর্কে কি কোনো তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ ঘটেছিল, না কি ধারের টাকা নিয়ে কোনও বিরোধ হয়েছিল?
৪. কেরোসিন এবং দেশলাই—ঘটনাস্থলে পাওয়া কেরোসিন ও দেশলাই কীভাবে সেখানে এলো, এবং তরুণীর অগ্নিদগ্ধ দেহ কি অন্য কেউ জ্বালিয়ে দিল?
৫. হোয়াটসঅ্যাপ স্টেটাস—তরুণীর ফোন থেকে একটি আত্মহত্যার হোয়াটসঅ্যাপ স্টেটাস দেওয়া হয়েছিল। সেই স্টেটাস কি তিনি নিজেই লিখেছিলেন, না কি অন্য কেউ তাঁর ফোন ব্যবহার করে সেটি লিখেছে?
৬. সিসিটিভি ফুটেজের মিল—প্রেমিকের দাবি অনুযায়ী, তিনি রাত ১টা ১৫ মিনিটে বাড়ি ফিরেছিলেন, যা স