কাতারে তিন মাস ধরে বন্দি ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী! পরিবারের আকুতি—প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চাই

কাতারে তিন মাস ধরে বন্দি ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী! কোনো অভিযোগ ছাড়াই তিন মাস ধরে কাতারের কারাগারে বন্দি রয়েছেন ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী অমিত গুপ্ত। পরিবারের দাবি, কেন তাঁকে আটক করা হয়েছে,…

March 23, 2025
1 min read

কাতারে তিন মাস ধরে বন্দি ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী!

কোনো অভিযোগ ছাড়াই তিন মাস ধরে কাতারের কারাগারে বন্দি রয়েছেন ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী অমিত গুপ্ত। পরিবারের দাবি, কেন তাঁকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়নি! স্বামীকে মুক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তাঁর স্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিদেশ মন্ত্রকের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন অমিতের বাবা-মা।

রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেফতার, তারপর থেকেই অজানা ভবিষ্যৎ

গুজরাতের ভদোদরার বাসিন্দা অমিত গুপ্ত ২০১৩ সাল থেকেই কাতারে কর্মরত। তিনি এক বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কাজ করেন। কিন্তু চলতি বছরের ১ জানুয়ারি, হঠাৎ করেই কাতারের একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, কোনো মামলা বা অভিযোগ ছাড়াই তাঁকে তিন মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে।

অমিতের স্ত্রী কাতারেই থাকেন। স্বামীর মুক্তির জন্য তিনি কাতারে ভারতীয় দূতাবাসের দ্বারস্থ হয়েছেন। পরিবারও বিদেশ মন্ত্রক ও প্রধানমন্ত্রীর দফতরে সাহায্যের জন্য আবেদন জানিয়েছে।

কেন আটক? পরিবারের দাবি—কোনো অভিযোগ নেই!

অমিতের বাবা-মা জানিয়েছেন, তাঁরা ভদোদরার সাংসদ হেমঙ্গ যোশীর সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ স্পষ্ট করে জানাতে পারেননি, কোনো অপরাধে অমিতকে আটক করা হয়েছে কিনা!

ভারতীয় দূতাবাস বিষয়টি দেখছে বলে জানা গেছে। একজন সরকারি কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, একটি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অমিতকে আটক করা হয়েছে। কিন্তু সেই মামলা সম্পর্কেও কোনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রিয়জনের মুক্তির আকুতি, সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ দরকার

অমিতের বাবা-মায়ের একটাই আবেদন—তাঁদের ছেলেকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হোক। প্রধানমন্ত্রী এবং বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে যদি দ্রুত হস্তক্ষেপ করা হয়, তাহলে হয়তো অমিত মুক্তি পেতে পারেন।

এখন প্রশ্ন একটাই—অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া সত্ত্বেও কতদিন তাঁকে বন্দি রাখা হবে? কোন পথে ফিরবেন তিনি পরিবারের কাছে? ভারতের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কি অমিতের মুক্তির জন্য যথেষ্ট হবে?

সন্দেহ, আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে এক ভারতীয় পরিবার। এবার ভারতের প্রশাসনের সক্রিয় হস্তক্ষেপই পারে অমিত গুপ্তকে দেশে ফিরিয়ে আনতে।

কাতারে তিন মাস ধরে বন্দি ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী! পরিবারের আকুতি—প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চাই

কোনো অভিযোগ ছাড়াই তিন মাস ধরে কাতারের কারাগারে বন্দি রয়েছেন ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী অমিত গুপ্ত। পরিবারের দাবি, কেন তাঁকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়নি! স্বামীকে মুক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন তাঁর স্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিদেশ মন্ত্রকের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন অমিতের বাবা-মা।

রেস্তোরাঁ থেকে গ্রেফতার, তারপর থেকেই অজানা ভবিষ্যৎ

গুজরাতের ভদোদরার বাসিন্দা অমিত গুপ্ত ২০১৩ সাল থেকেই কাতারে কর্মরত। তিনি এক বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কাজ করেন। কিন্তু চলতি বছরের ১ জানুয়ারি, হঠাৎ করেই কাতারের একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, কোনো মামলা বা অভিযোগ ছাড়াই তাঁকে তিন মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে।

অমিতের স্ত্রী কাতারেই থাকেন। স্বামীর মুক্তির জন্য তিনি কাতারে ভারতীয় দূতাবাসের দ্বারস্থ হয়েছেন। পরিবারও বিদেশ মন্ত্রক ও প্রধানমন্ত্রীর দফতরে সাহায্যের জন্য আবেদন জানিয়েছে।

কেন আটক? পরিবারের দাবি—কোনো অভিযোগ নেই!

অমিতের বাবা-মা জানিয়েছেন, তাঁরা ভদোদরার সাংসদ হেমঙ্গ যোশীর সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ স্পষ্ট করে জানাতে পারেননি, কোনো অপরাধে অমিতকে আটক করা হয়েছে কিনা!

ভারতীয় দূতাবাস বিষয়টি দেখছে বলে জানা গেছে। একজন সরকারি কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, একটি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অমিতকে আটক করা হয়েছে। কিন্তু সেই মামলা সম্পর্কেও কোনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রিয়জনের মুক্তির আকুতি, সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ দরকার

অমিতের বাবা-মায়ের একটাই আবেদন—তাঁদের ছেলেকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হোক। প্রধানমন্ত্রী এবং বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে যদি দ্রুত হস্তক্ষেপ করা হয়, তাহলে হয়তো অমিত মুক্তি পেতে পারেন।

এখন প্রশ্ন একটাই—অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া সত্ত্বেও কতদিন তাঁকে বন্দি রাখা হবে? কোন পথে ফিরবেন তিনি পরিবারের কাছে? ভারতের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কি অমিতের মুক্তির জন্য যথেষ্ট হবে?

শেষমেশ ব্রিটেনযাত্রায় মমতা! হিথরোর বিপর্যয় কাটিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় রওনা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *