কলকাতায় গ্লোবসিন বিজনেস স্কুলে নতুন প্রজন্মকে স্বাগত: ২৪তম ইন্ডাকশন প্রোগ্রামের রঙিন সূচনা

কলকাতায় গ্লোবসিন বিজনেস স্কুলে নতুন প্রজন্মকে স্বাগত! শহরের অন্যতম খ্যাতনামা ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট গ্লোবসিন বিজনেস স্কুল (GBS) তাদের ২৪তম ইন্ডাকশন প্রোগ্রামের মধ্য দিয়ে নতুন যাত্রার সূচনা করল। ২০২৫–২৭ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের…

August 24, 2025
1 min read

কলকাতায় গ্লোবসিন বিজনেস স্কুলে নতুন প্রজন্মকে স্বাগত!

শহরের অন্যতম খ্যাতনামা ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট গ্লোবসিন বিজনেস স্কুল (GBS) তাদের ২৪তম ইন্ডাকশন প্রোগ্রামের মধ্য দিয়ে নতুন যাত্রার সূচনা করল। ২০২৫–২৭ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্লোবসিন পরিবারের অন্তর্ভুক্ত করার এটাই ছিল এক অনন্য আয়োজন।

প্রথা মেনে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এদিন পিজিডিএম, পিজিডিএম-বিজনেস অ্যানালিটিক্স এবং এমবিএ (গ্লোবাল) প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিক স্বাগত জানানো হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা, শিল্প ও কর্পোরেট জগতের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন AICTE-র চেয়ারম্যান ও IIT খড়গপুর-এর প্রাক্তন পরিচালক অধ্যাপক দামোদর আচার্য, গ্লোবসিন গ্রুপের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আর. সি. ভট্টাচার্য, টাটা স্টিলের প্রাক্তন এইচআর প্রধান সুচিত্রা গুহ, মহর্ষি দয়ানন্দ এডুকেশন ট্রাস্ট-এর সিইও অনিল কুমার গর্গ, এমজাংশন সার্ভিসেস লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান সন্দীপন চক্রবর্তী, মালয়েশিয়া ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ডিন অধ্যাপক শাহীন মানসোরি এবং গ্লোবসিন বিজনেস স্কুলের ডিরেক্টর ও ট্রাস্টি রাহুল দাশগুপ্ত।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ‘গ্লোবসিন মন্ত্র’ পাঠের সময় হলজুড়ে উপস্থিত সবাই দাঁড়িয়ে সম্মান জানান। এরপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে অধ্যাপক দামোদর আচার্য শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত হওয়ার বার্তা দেন। সুচিত্রা গুহ তাঁর বক্তব্যে কর্পোরেট দুনিয়ায় মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। অন্যদিকে সন্দীপন চক্রবর্তী ও অনিল কুমার গর্গ শিক্ষার্থীদের সামনে ইন্ডাস্ট্রির বাস্তব অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন।

গ্লোবসিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বিক্রম দাশগুপ্ত তাঁর স্বভাবসুলভ আন্তরিক ভঙ্গিতে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকের প্রতিযোগিতামূলক পৃথিবীতে শুধু পাঠ্যপুস্তক নয়, সৃজনশীল চিন্তা ও আজীবন শেখার মানসিকতাই একজন প্রকৃত ম্যানেজারকে তৈরি করে। তাঁর কথায়, “গ্লোবসিন কেবল ডিগ্রি দেয় না, জীবনের জন্য তৈরি করে।”

অনুষ্ঠানে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত হয় একটি আকর্ষণীয় প্যানেল আলোচনা— “হু আর দ্য নিউ এজ ম্যানেজার্স? – অ্যান ইন্ডাস্ট্রি পার্সপেক্টিভ।” নবীন শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে কর্পোরেট জীবনের নানা বাস্তব অভিজ্ঞতা জানতে পারেন। পাশাপাশি কর্পোরেট নেতৃবৃন্দ অংশ নেন আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেশনে, যেমন “ফ্রম ক্যাম্পাস টু কর্পোরেট: লাইফলং লার্নিং ফর ম্যানেজারস” এবং “হাউ এআই অ্যান্ড ইএসজি আর রিশেপিং বিজনেস রোলস।”

একইসঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশন শিল্পমন্দির, বেলুড় মঠের স্বামী বেদাতিতানন্দ ও বেদান্ত ইনস্টিটিউট, কলকাতার এক্সিকিউটিভ ট্রাস্টি এল. রামস্বামী তাঁদের বক্তব্যে আধ্যাত্মিকতা ও মূল্যবোধের দিক থেকেও শিক্ষার্থীদের প্রেরণা জোগান।

শুধু বক্তৃতাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি ইন্ডাকশন প্রোগ্রাম। শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল বিভিন্ন ইন্টারেক্টিভ ম্যানেজমেন্ট গেমস। এসব খেলা শুধু আনন্দই দেয়নি, বরং দলগত কাজের গুরুত্ব ও ম্যানেজমেন্টের প্রাথমিক কৌশল শেখার সুযোগ করে দিয়েছে।

পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, গ্লোবসিন বিজনেস স্কুল কেবল ম্যানেজমেন্ট শিক্ষা প্রদানেই নয়, বরং শিক্ষার্থীদের সামগ্রিকভাবে একজন দক্ষ, সৃজনশীল এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই ইন্ডাকশন প্রোগ্রাম তাই শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং ভবিষ্যতের পথচলার প্রথম ধাপ। নতুন শিক্ষার্থীরা এখান থেকেই শুরু করল তাদের রূপান্তরের যাত্রা— ক্লাসরুম থেকে কর্পোরেটের, শিখন থেকে বাস্তব প্রয়োগের, আর ছাত্র থেকে সফল ম্যানেজার হয়ে ওঠার।

👉 আপনি চাইলে আমি এই লেখাটিকে আরও প্রেরণামূলক টোনে সাজিয়ে দিতে পারি, যেখানে নতুন শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন, সম্ভাবনা আর চ্যালেঞ্জের গল্পটা আরও জীবন্ত হয়ে উঠবে। কি আমি সেটা করে দেব?

ট্রোলের জবাবে মৌনী রায়: ‘‘ভালবাসা শিখুন, নয়তো জীবন ব্যর্থ’’

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *