প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বাড়িতে ইডির তল্লাশি!
কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী Pinarayi Vijayan-এর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালাল Enforcement Directorate (ইডি)। জানা গিয়েছে, ‘কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড’ সংক্রান্ত একটি আর্থিক অনিয়মের মামলার তদন্তে নেমেই এই পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শুধু বিজয়নের বাড়িই নয়, কেরল জুড়ে আরও একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিজয়নের কন্যা টি বীণার সংস্থা Exalogic Solutions Private Limited। অভিযোগ, শিল্প রাসায়নিক প্রস্তুতকারী সংস্থা Cochin Minerals and Rutile Limited-এর কাছ থেকে কোনও পরিষেবা না দিয়েই বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়েছিল ওই সংস্থা।
তবে এই মামলায় সরাসরি পিনারাই বিজয়নের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। তদন্তকারীরা মূলত আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য অর্থপাচারের দিকগুলি খতিয়ে দেখছেন।
এই মামলার সূত্রপাত ২০২৩ সালের অগস্টে। সে সময় অভিযোগ ওঠে, ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এক্সালজিক সলিউশনস কোনও পরিষেবা না দিয়েই প্রায় ১.৭২ কোটি টাকা পেয়েছিল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর কেন্দ্রীয় সরকার বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেয় Serious Fraud Investigation Office (এসএফআইও)-কে।
পরবর্তীতে, ২০২৫ সালের এপ্রিলে কেন্দ্রীয় কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রক বীণার বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি দেয়। এসএফআইও তাদের চার্জশিটে বীণা-সহ মোট ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে। অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন ‘কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড’-এর ডিরেক্টর শশীধরণ এবং আরও কয়েকটি সংস্থার প্রতিনিধিরা।
বীণার বিরুদ্ধে কোম্পানি আইন, ২০১৩-এর ৪৪৭ ধারায় জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে। এই ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে ছ’মাস থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। পাশাপাশি, জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত অর্থের তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানাও ধার্য হতে পারে।
এই তল্লাশি ঘিরে ইতিমধ্যেই কেরলের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও বিজয়ন বা তাঁর পরিবারের তরফে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়নি।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা