জ্ঞানেশ-বিরোধী বিক্ষোভে আরও উত্তাপ!
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের বিক্ষোভ আরও জোরালো হচ্ছে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR-এ অনিয়ম এবং নির্বাচনী ব্যবস্থায় কারচুপির অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। মঙ্গলবার ও বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও দিল্লিতে নতুন কর্মসূচির প্রস্তুতি নিয়েছে বিরোধীরা।
বুধবার প্রায় ২০০ বিরোধী সাংসদ দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নেন। জন্তরমন্তরের দিকে মিছিল এগোনোর সময় পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ওই দিনের ঘটনায় ৯১ জনকে আটক করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবারও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিরোধীরা। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে ফের বিরোধী সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এর পর কোথায় এবং কী ভাবে বিক্ষোভ হবে, তা বৈঠকেই ঠিক করার কথা ছিল।
বিরোধীদের কর্মসূচি ঘিরে দিল্লি পুলিশও নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আগের দিনের অভিজ্ঞতার পর পুলিশের সঙ্গে বিরোধী সাংসদদের ফের মুখোমুখি সংঘাতের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
শুধু দিল্লি নয়, বৃহস্পতিবার বিহারের পটনাতেও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়। আরজেডি নেতা তথা বিহারের বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদবের নেতৃত্বে বিরোধীরা লোকভবনের দিকে মিছিল করেন। লোকভবনের আগেই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকে দেয়। এরপর তেজস্বী-সহ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়।
পটনার এই কর্মসূচির ডাক আগেই দিয়েছিল আরজেডি। SIR নিয়ে আপত্তি জানিয়ে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ৭ ও ৮ অক্টোবর বিহারজুড়ে প্রতিবাদের কথা জানিয়েছিল দলটি।
পুলিশের বাধার পর তেজস্বী যাদব ব্যারিকেডে উঠে প্রতিবাদ জানান। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারকে আড়াল করছে সরকার এবং বিরোধীদের প্রতিবাদ করতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি দাবি করেন, “ভোটচোরদের” বিরুদ্ধে মানুষ শাস্তি দেবে। তবে এগুলি তেজস্বীর রাজনৈতিক অভিযোগ; সরকার বা নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগগুলিকে মেনে নিয়েছে এমন তথ্য নেই।
এ দিকে, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক চাপ বাড়লেও কমিশন অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যকে স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ার অংশ বলে জানিয়েছে এবং তাদের ডিজিটাল ব্যবস্থায় নিরাপত্তা বজায় থাকার কথা জানিয়েছে।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।