ওষুধ নয়, অভ্যাসই আসল শক্তি: সোনু সুদের ফিটনেসের অজানা গল্প

ওষুধ নয়, অভ্যাসই আসল শক্তি! ৫২ বছর বয়সেও সোনু সুদের সুঠাম শরীর আর স্পষ্ট অ্যাব্‌স দেখে অনেক তরুণ অভিনেতাই ঈর্ষান্বিত হতে পারেন। কিন্তু এই ফিটনেসের পেছনে নেই কোনও ম্যাজিক পিল,…

January 16, 2026
1 min read

ওষুধ নয়, অভ্যাসই আসল শক্তি!

৫২ বছর বয়সেও সোনু সুদের সুঠাম শরীর আর স্পষ্ট অ্যাব্‌স দেখে অনেক তরুণ অভিনেতাই ঈর্ষান্বিত হতে পারেন। কিন্তু এই ফিটনেসের পেছনে নেই কোনও ম্যাজিক পিল, নেই কোনও শর্টকাট ফর্মুলা। আছে শুধুই নিয়ম, শৃঙ্খলা আর নিজের শরীরের প্রতি সম্মান। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের দৈনন্দিন রুটিন ও জীবনযাত্রার কথা খুলে বলেছেন অভিনেতা।

সোনুর মতে, দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হল সকাল। দিন কী ভাবে শুরু হচ্ছে, তার উপরই নির্ভর করে বাকি সময়টা কেমন কাটবে। তাই তাঁর সকাল মানেই তাড়াহুড়ো নয়, বরং শান্ত আর সচেতন শুরু। ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই এক গ্লাস গরম জল পান করেন তিনি। তারপর কয়েক মিনিট ধ্যান। এর পর হালকা স্ট্রেচিং—শরীর আর মন দু’টোকেই প্রস্তুত করে নেওয়ার জন্য। এই অভ্যাস তাঁর কাছে নতুন কিছু নয়। আজ যাকে সবাই “স্লো মর্নিং” বলে, সোনু তা বহু বছর ধরেই মেনে চলছেন।

এই রুটিন তাঁকে শুধু শারীরিক ভাবে নয়, মানসিক ভাবেও চাঙ্গা রাখে। উদ্বেগ, অস্থিরতা দূরে থাকে, মন থাকে স্থির। তাঁর বিশ্বাস, ফিটনেস কোনও সাময়িক ট্রেন্ড নয়—এটা একটা জীবনদর্শন। নিয়মিত ভাবে নিজের যত্ন না নিলে, কয়েক মাস ব্যায়াম করলেই কিছু বদলায় না।

তাই কাজের ব্যস্ততা থাকুক বা না থাকুক, রোজ অন্তত এক ঘণ্টা শরীরচর্চা করেন সোনু। কখনও ভারোত্তোলন, কখনও কোর ট্রেনিং, কখনও কার্ডিয়ো বা স্ট্রেংথ এক্সারসাইজ—রুটিন বদলে বদলে করেন, যাতে একঘেয়েমি না আসে। তাঁর মতে, ব্যায়াম উপভোগ করতে পারলেই তা দীর্ঘদিন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।

খাদ্যাভ্যাসেও একই রকম সচেতন তিনি। ঘরোয়া খাবারেই ভরসা রাখেন সোনু। প্রোটিন-সমৃদ্ধ, পরিমিত খাবারই তাঁর পাতে থাকে। তেলে ভাজা, ফাস্টফুড বা অতিরিক্ত মিষ্টি এড়িয়ে চলেন। তবে নিজেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত করতেও বিশ্বাসী নন। তাই মাঝেমধ্যে থাকে ‘চিট-ডে’, যাতে মনও খুশি থাকে।

কাজে বেরোলে প্রায়ই নিজের টিফিন সঙ্গে নিয়ে যান তিনি। তাতে থাকে টাটকা ফল, বাদাম, অঙ্কুরিত ডাল-ছোলা, শুকনো খোলায় ভাজা ছোলা, কিংবা প্রোটিনে ভরা স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্‌স। ছোট ছোট এই অভ্যাসই তাঁর শরীরকে ভিতর থেকে শক্ত রাখে।

শুধু শরীর নয়, মনের যত্ন নিতেও সমান গুরুত্ব দেন সোনু। নিয়মিত ধ্যান, যোগাসন আর প্রাণায়াম তাঁর জীবনের অঙ্গ। তাঁর বিশ্বাস, মানসিক স্থিরতা না থাকলে শারীরিক ফিটনেসও অসম্পূর্ণ।

সব মিলিয়ে সোনু সুদের ফিটনেসের রহস্য কোনও জটিল সূত্র নয়। ওষুধ নয়, সাপ্লিমেন্ট নয়—বরং ধারাবাহিক অভ্যাস, সচেতন জীবনযাপন আর নিজের প্রতি দায়িত্ববোধই তাঁকে এই বয়সেও তরুণ রাখার আসল চাবিকাঠি।

‘স্পিরিট’-এ প্রভাসের ১৬০ কোটি! নায়িকাদের পারিশ্রমিকের ফারাক ঘিরে নতুন চর্চা

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *