কাজলের ছেলে যুগকে ঘিরে তোলেন ছবিশিকারিরা, নিন্দার ঝড় নেটপাড়ায়
মুম্বইয়ের রাস্তায় ছাতায় মুখ ঢেকে ফুটপাত ধরে হাঁটছিল বছর পনেরোর যুগ দেবগন। তার সঙ্গে ছিলেন নিরাপত্তারক্ষী। কিন্তু ঠিক তখনই ছবিশিকারিরা তার পিছু নিলেন। মাটিতে বসেও ছবি তোলার চেষ্টা করতে থাকেন। পরিস্থিতি এমন, যে পুত্র নিজেই অনুরোধ করেন, “প্লিজ়, ছবি তুলবেন না।”
ছবিশিকারিদের নজরদারি তারকা সন্তানদেরও ছাড় দেয় না। বিমানবন্দর, রেস্তরাঁ বা শরীরচর্চা কেন্দ্র—যেখানে যান না কেন, তাঁদের সঙ্গে অনবরত ক্যামেরার লেন্স বসে থাকে। দিন কয়েক আগেই হৃতিক রোশনের ছেলে এই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। এখন সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কাজল-পুত্র যুগ।
ভিডিওটি নেটপাড়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। সঙ্গে আসে নিন্দার ঝড়। অনেকেই লেখেন, “ওকে ওর মতো করে বাঁচতে দিন।” কেউ মন্তব্য করেন, “ও তারকা নয়, কেন ওকে রেহাই দিচ্ছে না?” সমাজমাধ্যমে চলছে তীব্র আলোচনা।
কাজল এবং অজয় দেবগনের পরিবারের জন্য এই বিষয় নতুন নয়। এর আগে কাজলের মেয়ে নিসা দেবগনও বহুবার ছবিশিকারিদের ক্যামেরার ফোকাসে পড়েছেন। কখনও সে টলমল পায়ে ক্লাব থেকে বেরোচ্ছে, আবার কখনও রূপটান সেরে ফিরছে—প্রত্যেকটিতেই ছবি তোলা হয়েছে। তবে নিসা কখনও সরাসরি আপত্তি জানাননি। আর এজন্য হয়তো নেটিজেনরা যুগের পক্ষ নিয়ে বলেছেন, শিশুরও ব্যক্তিগত সীমারক্ষা থাকা উচিত।
যুগ স্পষ্ট করে চায়, তার ব্যক্তিগত জীবন হোক শান্ত। বয়সে ছোট হলেও নিজের পছন্দ এবং সীমারক্ষা বোঝার ক্ষমতা আছে। সেই ছোট্ট বয়সেও সে বোঝাতে চেষ্টা করছে যে, ছবি তোলা বা ব্যক্তিগত স্পেসে হস্তক্ষেপ করা ঠিক নয়।
অনুরাগীদের একাংশ মনে করলেন, শিশু ও তার পারিবারিক নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখাই এখন প্রধান কর্তব্য। শিশুর প্রতি সম্মান দেখানো উচিত। কেউ লিখেছেন, “যুগও মানুষ, তারও নিজের জীবন আছে।” এই নেটিভ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করছে—তারকা সন্তানও শেষমেশ একজন মানুষ, যারও ব্যক্তিগত সময় ও স্বাধীনতা থাকা উচিত।
ছবিশিকারিদের দাপটে অতিষ্ঠ তারকা পরিবার এবং অনুরাগীরা বারবার চাইছেন, শিশুদের এই চাপ থেকে মুক্তি দিতে। ভিডিওটির ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমের সরাসরি প্রতিক্রিয়াই প্রকাশ করছে জনসাধারণের অবস্থান—“ওকে ওর মতো করে বাঁচতে দিন।”
যুগ দেবগনের এই ঘটনা আবার মনে করিয়ে দিল, সেলিব্রিটি সন্তানদেরও প্রয়োজন তাদের ব্যক্তিগত সীমারক্ষা। তার ছোট বয়স ও নিরাপত্তা সব সময় অগ্রাধিকার পাবে। নেটপাড়ার জনমত স্পষ্ট: প্রাইভেসি এবং সম্মান—শিশু হোক বা তারকা সন্তান, সবারই অধিকার।
‘সত্যমেব জয়তে’! দিল্লি হাই কোর্ট আবেদন খারিজ, সমীরের মন্তব্যে নতুন ইঙ্গিত?