এশিয়াডে ক্রিকেটে সোনার লড়াই ভারত-পাকিস্তানের!!
এশিয়ান গেমসে পুরুষদের ক্রিকেটে সোনার লড়াইয়ে মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে ১২৪ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠল শ্রেয়স আয়ারের ভারত। নিশিনের স্পিন সহায়ক পিচে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৯ রান তুলেছিল ভারত। জবাবে মাত্র ৯.৫ ওভারে ৪৫ রানে অল আউট হয়ে গেল শ্রীলঙ্কা। শনিবার ফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামবে ভারত।
বৃষ্টির কারণে এশিয়াডের চারটি কোয়ার্টার ফাইনালের একটিও খেলা সম্ভব হয়নি। তবে সেমিফাইনালে আবহাওয়া বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। নিশিনের উইকেট যে স্পিনারদের সাহায্য করবে, তা ভারতের প্রথম একাদশেই পরিষ্কার ছিল। জসপ্রীত বুমরাহ একমাত্র বিশেষজ্ঞ পেসার। সঙ্গে তিন স্পিনার।
ব্যাট করতে নেমে অবশ্য শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। অভিষেক শর্মা তিন বলে ৭ এবং সঞ্জু স্যামসন ন’বলে ৭ রান করে ফিরে যান। তাঁর সঙ্গে ওপেন করতে নামা বৈভব সূর্যবংশী অবশ্য আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের সঙ্গে জুটি গড়ে পাওয়ার প্লেতে দ্রুত রান তুলছিলেন তিনি।
স্পিনারদের সাহায্য পাওয়া পিচে বড় শট খেলা সহজ ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২১ বলে ৩৮ রান করে আউট হন বৈভব। তাঁর ইনিংসে ছিল ছ’টি চার ও দু’টি ছক্কা। শ্রেয়সও ১৩ রান করে ফিরে যান। অক্ষর পটেল ৮, তিলক বর্মা ২ এবং শিবম দুবে ৩ রান করে আউট হওয়ায় চাপে পড়ে ভারত।
সেই জায়গা থেকে দলকে টেনে তুললেন ঈশান কিশন। যে পিচে একের পর এক ব্যাটার সমস্যায় পড়ছিলেন, সেখানেই দারুণ নিয়ন্ত্রণে খেললেন তিনি। মাত্র ৪৬ বলে ৮০ রান করে অপরাজিত থাকলেন ঈশান। তাঁর ইনিংসে চারটি চার এবং পাঁচটি ছক্কা। সব বলেই বড় শট খেলার চেষ্টা না করে অপেক্ষা করে খারাপ বলের সদ্ব্যবহার করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত তাঁর ব্যাটেই ১৬৯ রানের লড়াকু স্কোর পায় ভারত।
১৭০ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই ম্যাচের ভাগ্য কার্যত লিখে দেন বুমরাহ। প্রথম ওভারে জোড়া উইকেট নিয়ে মেডেন করেন তিনি। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেও উইকেট। মাত্র সাত বলের মধ্যে তিন উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। তিন জনই খাতা না খুলে ফেরেন।
এর পর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। নুয়ানিদু ফের্নান্দো ছাড়া কোনও ব্যাটার দু’অঙ্কে পৌঁছতে পারেননি। পিচের ফাটলে বল পড়ে কখনও কখনও অস্বাভাবিক ভাবে ঘুরছিল। ভারতীয় স্পিনারদের সামলানো তাই আরও কঠিন হয়ে যায়।
মাত্র ৯.৫ ওভারে ৪৫ রানে শেষ শ্রীলঙ্কার ইনিংস। বুমরাহ, অক্ষর পটেল এবং অভিষেক শর্মা দু’টি করে উইকেট নেন। ওয়াশিংটন সুন্দর পান একটি উইকেট। ভারতীয় ফিল্ডারেরা তিনটি রান আউটও করেন। অতিরিক্ত ১১ রান না হলে শ্রীলঙ্কার ব্যর্থতা আরও বড় হত।
বাংলাদেশকে হারিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান
অন্য সেমিফাইনালে বৃষ্টির কারণে ম্যাচ কমে হয় ১৩ ওভারের। বাংলাদেশ ৭ উইকেটে ১১১ রান করে। তৌহিদ হৃদয় করেন ২৫ বলে ৪২ রান। জবাবে ৯ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় পাকিস্তান। হাসান নওয়াজ়ের ২৭ এবং আবদুল সামাদের ৩০ রানের জুটি তাদের ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে।
এ বার শনিবার এশিয়াডের সোনার লড়াইয়ে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।