এমবাপের কাঁধে স্বপ্ন, দেশঁর শেষ বিশ্বকাপে ফ্রান্স কি ফের ছুঁতে পারবে সোনালি শিখর?

এমবাপের কাঁধে স্বপ্ন! ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে নাটকীয় লড়াইয়ের পর আর্জেন্টিনার কাছে হারতে হয়েছিল ফ্রান্সকে। কিলিয়ান এমবাপের হ্যাটট্রিকও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফি এনে দিতে পারেনি। চার বছর পর সেই হতাশা ভুলে…

June 3, 2026
1 min read

এমবাপের কাঁধে স্বপ্ন!

২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে নাটকীয় লড়াইয়ের পর আর্জেন্টিনার কাছে হারতে হয়েছিল ফ্রান্সকে। কিলিয়ান এমবাপের হ্যাটট্রিকও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ ট্রফি এনে দিতে পারেনি। চার বছর পর সেই হতাশা ভুলে আবার বিশ্বজয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামছে দিদিয়ের দেশঁর দল।

ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় ভরসা নিঃসন্দেহে এমবাপে। তবে শুধু তিনিই নন, বর্তমান ফরাসি দলকে অনেকেই বিশ্বের অন্যতম ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড বলে মনে করছেন।

ফ্রান্সের প্রধান শক্তি

বেঞ্চেও তারকার ছড়াছড়ি

ফ্রান্সের স্কোয়াডের গভীরতা ঈর্ষণীয়। প্রথম একাদশের বাইরে থাকা অনেক ফুটবলারও বিশ্বের বড় বড় ক্লাবে নিয়মিত খেলেন। ফলে চোট বা ফর্মহীনতা দলকে খুব বেশি বিপদে ফেলতে পারে না।

গতি আর আক্রমণের ঝড়

কিলিয়ান এমবাপে, Ousmane Dembélé এবং Michael Olise-র মতো ফুটবলারদের গতি প্রতিপক্ষের রক্ষণকে মুহূর্তে ভেঙে দিতে পারে। দ্রুত পাল্টা আক্রমণ ফ্রান্সের অন্যতম বড় অস্ত্র।

শক্তিশালী রক্ষণভাগ

William Saliba এবং Dayot Upamecano বর্তমানে বিশ্বের সেরা সেন্টার-ব্যাকদের মধ্যে গণ্য হন। গোলরক্ষক Mike Maignan-ও দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন।

কোথায় দুর্বলতা?

তারকাদের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা

এমবাপে বা ডেম্বেলের মতো তারকারা ছন্দে না থাকলে ফ্রান্সের আক্রমণ অনেকটাই নিস্তেজ হয়ে যেতে পারে।

সেট-পিসে সমস্যা

কর্নার বা ফ্রি-কিক থেকে গোল খাওয়ার প্রবণতা এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি দল। বড় ম্যাচে এই দুর্বলতা বিপজ্জনক হতে পারে।

চোটের শঙ্কা

গত বিশ্বকাপেও চোট ফ্রান্সকে ভুগিয়েছিল। এবারও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে কোচিং স্টাফকে।

কী সুযোগ রয়েছে?

  • অপেক্ষাকৃত সহজ গ্রুপে থাকায় নকআউটে ওঠার সম্ভাবনা উজ্জ্বল।
  • তরুণ ফুটবলারদের জন্য নিজেকে প্রমাণ করার বড় মঞ্চ।
  • বিশ্বকাপের পর কোচের দায়িত্ব ছাড়বেন Didier Deschamps। তাঁকে ট্রফি উপহার দিতে চাইবেন ফুটবলাররা।

সবচেয়ে বড় শঙ্কা

সাম্প্রতিক সময়ে Spain-এর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ব্যর্থতা ফ্রান্সকে মানসিকভাবে চাপে রাখতে পারে। নকআউটে দুই দলের দেখা হলে সেটাই হতে পারে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা।

শেষ কথা

এমবাপে, ডেম্বেলে, সালিবা, কান্তেদের অভিজ্ঞতা এবং তরুণদের উচ্ছ্বাস— সব মিলিয়ে ফ্রান্স আবারও বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট। তবে ট্রফি জিততে গেলে শুধু প্রতিভা নয়, প্রয়োজন ধারাবাহিকতা, ফিটনেস এবং বড় ম্যাচে মানসিক দৃঢ়তা। ২০২৬ বিশ্বকাপে সেই পরীক্ষাতেই নামছে ফরাসি বাহিনী।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *