এমবাপের জাদুতে সেমিফাইনালে ফ্রান্স, মরক্কোকে হারিয়ে আবারও শিরোপার পথে দেশঁর দল

এমবাপের জাদুতে সেমিফাইনালে ফ্রান্স! বিশ্বকাপে ফ্রান্সের অপ্রতিরোধ্য যাত্রা অব্যাহত। মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা দাপটের সঙ্গে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল দিদিয়ের দেশঁর দল। ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলেও…

July 10, 2026
1 min read

এমবাপের জাদুতে সেমিফাইনালে ফ্রান্স!

বিশ্বকাপে ফ্রান্সের অপ্রতিরোধ্য যাত্রা অব্যাহত। মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা দাপটের সঙ্গে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল দিদিয়ের দেশঁর দল। ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলেও শেষ পর্যন্ত কিলিয়ান এমবাপেই হয়ে উঠলেন ফ্রান্সের জয়ের প্রধান নায়ক। একটি দুর্দান্ত গোল করার পাশাপাশি দ্বিতীয় গোলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় দুই দলকে। তবে বলের নিয়ন্ত্রণ, গতি এবং আক্রমণের ধার— সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে ছিল ফ্রান্স। চতুর্থ মিনিটেই দায়োত উপামেকানোর শক্তিশালী হেড দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো। এরপরও একের পর এক আক্রমণে চাপে পড়ে যায় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।

২৫ মিনিটে ম্যাচের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আসে। ডেজিরে ডুয়ের পাস ধরে বক্সে ঢুকে পড়েন এমবাপে। তাঁকে ফাউল করেন নৌসের মাজরাউই এবং পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। যদিও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (VAR) দীর্ঘ পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে তিন মিনিটেরও বেশি সময় লেগে যায়।

পেনাল্টি নিতে এসে এমবাপে নিজের স্বাভাবিক ছন্দে ছিলেন না। তাঁর নিচু শট সহজেই ধরে ফেলেন বোনো। ম্যাচের সেই মুহূর্তে মরক্কো কিছুটা আত্মবিশ্বাস ফিরে পেলেও প্রথমার্ধ জুড়ে গোলরক্ষক বোনোর একাধিক অসাধারণ সেভই তাদের লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখে। ডেজিরে ডুয়ে এবং লুকাস ডিগনের শটও দুর্দান্তভাবে সামাল দেন তিনি।

বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল ফ্রান্সের হাতেই। মরক্কো কিছু সময় পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করলেও ফরাসি রক্ষণ খুব বেশি সুযোগ দেয়নি। শেষ পর্যন্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এমবাপে।

দ্বিতীয়ার্ধে বক্সের বাইরে বল পেয়ে কয়েকজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে হঠাৎই ডান পায়ের জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন ফরাসি তারকা। পেনাল্টি মিসের হতাশা ভুলিয়ে দেওয়া সেই গোলেই এগিয়ে যায় ফ্রান্স।

গোল হজমের পর মরক্কো কিছুটা ছন্দ হারিয়ে ফেলে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মাত্র চার মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফ্রান্স। আবারও আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন এমবাপে। নিজের দিকে একাধিক ডিফেন্ডারকে টেনে এনে ফাঁকা জায়গায় থাকা উসমান দেম্বেলেকে নিখুঁত পাস দেন তিনি। শান্ত মাথায় নিচু শটে গোল করে দলের জয় কার্যত নিশ্চিত করেন দেম্বেলে।

যদিও মরক্কো শেষ পর্যন্ত গোল করতে পারেনি, তবু গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনোর পারফরম্যান্স বিশেষভাবে প্রশংসিত হবে। তিনি অন্তত পাঁচটি নিশ্চিত গোল রুখে দিয়ে ব্যবধান আরও বড় হতে দেননি।

এই জয়ের ফলে ফ্রান্স টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্নের আরও এক ধাপ কাছে পৌঁছে গেল। তবে তার আগে সেমিফাইনালে তাদের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ স্পেন। বর্তমান ফর্ম বিবেচনায় ফ্রান্সকে শিরোপার অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *