এবার সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র সরাসরি সিইও-র নজরদারিতে!
রাজ্যের ভোটারদের হাতে সচিত্র পরিচয়পত্র (EPIC) আরও দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে পৌঁছে দিতে বড়সড় পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) দফতর। এতদিন পর্যন্ত যেভাবে জেলা স্তরের অফিসারদের মাধ্যমে পরিচয়পত্র সরবরাহ হতো, এবার সেই ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করে সরাসরি সিইও দফতরের তত্ত্বাবধানে শুরু হচ্ছে ভোটার কার্ড বিলি।
নির্বাচনী দফতর সূত্রে জানা গেছে, আপাতত দেড় লক্ষেরও বেশি সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র ডাক বিভাগের মাধ্যমে ভোটারদের বাড়িতে পাঠানো হবে। সেপ্টেম্বর মাস থেকে এই নতুন প্রক্রিয়া পুরোপুরি চালু হবে। নতুন ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হল সময়মতো এবং নির্ভুলভাবে পরিচয়পত্র পৌঁছে দেওয়া, যাতে ভোটারদের বারবার অফিসে ছুটতে না হয়।
আগের পদ্ধতিতে পরিচয়পত্রটি প্রস্তুত হতে বেশ কিছু স্তর অতিক্রম করতে হতো। প্রথমে বুথ লেভেল অফিসার (BLO) ও ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের (ERO) মাধ্যমে ভোটারদের তথ্য জেলা নির্বাচনী আধিকারিক (DEO)-এর দফতরে যেত। সেখান থেকে তা পাঠানো হতো মুখ্য নির্বাচন দফতরে এবং পরে মুদ্রণের জন্য পাঠানো হত। মুদ্রণের পর কার্ডগুলো আবার জেলা পর্যায়ে ফিরে আসত, সেখান থেকে ডাক বিভাগের মাধ্যমে তা পৌঁছত ভোটারের ঠিকানায়।
কিন্তু এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় অনেক সময় লাগত এবং মাঝেমধ্যে কার্ড হারিয়ে যেত বা বিলি করা সম্ভব হতো না। এই সমস্যার সমাধানে এবার একটি সরল ও কার্যকর পদ্ধতি চালু করছে সিইও দফতর। এখন থেকে সরাসরি মুদ্রণের জন্য পাঠানো হবে ‘সরস্বতী প্রেসে’। সেখান থেকে মুদ্রিত কার্ড যাবে জিপিও-তে (সাধারণ ডাকঘর)। তারপর সেখান থেকে ডাক বিভাগের মাধ্যমে সরাসরি ভোটারের বাড়িতে পৌঁছে যাবে EPIC কার্ড।
সিইও দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “১৫ দিনের মধ্যে রাজ্যের সব জেলার নির্বাচনী অফিসগুলিতে পড়ে থাকা EPIC কার্ড বিলি করতে বলা হয়েছে। যদি কোনও কারণে ২০ অগস্টের মধ্যে এই বিলি সম্পন্ন না হয়, তাহলে বাকি সমস্ত কার্ড মুখ্য নির্বাচনী দফতরে ফেরত পাঠাতে হবে। তখন সেই কার্ডগুলো সরাসরি বিতরণ করবে সিইও দফতর।”
দোকানের মশলার বদলে ঘরেই বানিয়ে নিন মাংসের স্বাদ বাড়ানোর জাদুমন্ত্র