আরজি করের নির্যাতিতার মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে Mimi Chakraborty!
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের পর নানা মহলের মতোই প্রতিক্রিয়া এসেছে টলিপাড়ার দিক থেকেও। তবে সেই ভিড়ের মধ্যেও আলাদা করে নজর কেড়েছে Mimi Chakraborty-র মন্তব্য। কারণ, তাঁর প্রতিক্রিয়া শুধু রাজনীতিকে ঘিরে নয়— গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে এক পুরনো আন্দোলন এবং ব্যক্তিগত অনুভূতির সঙ্গে।
RG Kar Medical College and Hospital-এর চিকিৎসক-পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় ২০২৪ সালে সরব হয়েছিলেন মিমি। সে সময় সামাজিক মাধ্যমে কঠোর শাস্তির দাবি তোলার পাশাপাশি, ১৪ অগস্ট রাতে রাস্তায় নেমেও প্রতিবাদ করেছিলেন তিনি। সেই আন্দোলনের সময় তাঁকে একাধিক হুমকির মুখেও পড়তে হয়েছিল। কিন্তু তাতেও পিছিয়ে যাননি।
এই প্রেক্ষাপটেই, সাম্প্রতিক নির্বাচনে নির্যাতিতার মায়ের জয়কে ঘিরে নিজের প্রতিক্রিয়া জানান মিমি। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, “এই জয়টা আমার কাছে খুব ব্যক্তিগত মনে হচ্ছে। কোনও জয়ই আপনার ক্ষতিপূরণ করতে পারবে না।” তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট— রাজনৈতিক ফলাফলের বাইরে গিয়ে তিনি বিষয়টিকে দেখছেন মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে।
মিমির বক্তব্যে এক ধরনের দ্বৈত অনুভূতি ধরা পড়ে। একদিকে, ন্যায়বিচারের পথে একটি প্রতীকী অগ্রগতি হিসেবে এই জয়কে স্বীকৃতি দিচ্ছেন তিনি। অন্যদিকে, এও বুঝিয়ে দিচ্ছেন যে, কোনও নির্বাচনী ফলাফলই একটি ব্যক্তিগত ক্ষতির পূরণ করতে পারে না।
আরজি কর-কাণ্ডের সময় তাঁর বিরুদ্ধে যে কুরুচিকর মন্তব্য ও হুমকি এসেছিল, তার বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন তিনি। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছিলেন— ভয় দেখিয়ে তাঁকে থামানো যাবে না। নারীদের নিরাপত্তা ও সম্মানের প্রশ্নে তাঁর অবস্থান বরাবরই দৃঢ়।
উল্লেখযোগ্যভাবে, Mimi Chakraborty ২০১৯ সালে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে ২০২৪ সালের আগে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেও, সামাজিক ও মানবিক বিষয়গুলিতে তাঁর সক্রিয়তা এখনও বজায় রয়েছে।
সব মিলিয়ে, তাঁর এই প্রতিক্রিয়া কেবল রাজনৈতিক মন্তব্য নয়— বরং এক দীর্ঘ আন্দোলনের স্মৃতি, প্রতিবাদের ধারাবাহিকতা এবং ন্যায়বিচারের প্রত্যাশারই প্রতিফলন।
স্ট্রোকের পর কেমন আছেন রাহুল রায়? পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুজবে মুখ খুললেন অভিনেতা