উপগ্রহ দিয়ে সাহায্য করেও রক্ষা হলো না পাকিস্তান—ভারত-পাক সংঘাতে চীনের গোপন ভূমিকা ফাঁস

উপগ্রহ দিয়ে সাহায্য করেও রক্ষা হলো না পাকিস্তান! সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে নজর কাড়ছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য—চীনের গুপ্তচর উপগ্রহ দিয়ে পাকিস্তানকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সাহায্য করা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি।…

May 17, 2025
1 min read

উপগ্রহ দিয়ে সাহায্য করেও রক্ষা হলো না পাকিস্তান!

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে নজর কাড়ছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য—চীনের গুপ্তচর উপগ্রহ দিয়ে পাকিস্তানকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সাহায্য করা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি। ওপেন-সোর্স গোয়েন্দাদের (OSINT) মতে, ভারতীয় সেনার গতিবিধি নজরে রাখতে রাজস্থানের আকাশে একাধিক চীনা কৃত্রিম উপগ্রহ পাক খেতে দেখা গিয়েছে। এসব তথ্য সরাসরি পাঠানো হচ্ছিল পাকিস্তানের সামরিক সদর দফতরে।

‘অপারেশন সিঁদুর’ নামে ভারতীয় বাহিনীর পাল্টা অভিযানের সময় রাজস্থানের সীমান্তে যখন পাকিস্তান সোয়ার্ম ড্রোন দিয়ে হামলা চালায়, তখনই চীনা উপগ্রহ সজাগভাবে ঘোরাফেরা করে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব হামলার পরিকল্পনায় চীনের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছিল। যদিও ভারতীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, শত্রু পক্ষের বেশিরভাগ ড্রোন আকাশেই ধ্বংস হয়ে যায়।

বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিংয়ের লক্ষ্য ছিল ভারতীয় সেনার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, কৌশল এবং রণকৌশল বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হওয়া। পাকিস্তানের ‘পিআরএসএস-১’ ও ‘পাকস্যাট-এমএম১’ উপগ্রহের নিয়ন্ত্রণও রয়েছে চীনের হাতে, যা যুদ্ধকালীন সময়েও ব্যবহৃত হয়। চীনের ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’র কাছে গোয়েন্দা ও নজরদারির কাজে ব্যবহারের জন্য উন্নত মানের উপগ্রহ রয়েছে, যেগুলি ইসলামাবাদকে সরবরাহ করা হয় তথ্য সংগ্রহে।

লড়াইয়ের সময় ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে লাহোরে হামলা চালায় পাকিস্তান। ভারত পাল্টা হামলায় ধ্বংস করে দেয় চীনের তৈরি HQ-9P এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং JF-17 যুদ্ধবিমান। পাকিস্তান স্বীকার করে যে, এই চীনা অস্ত্রগুলি কার্যত ব্যর্থ হয়েছে।

তবে যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে, চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবাল টাইমস’ প্রপাগান্ডা ছড়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তারা দাবি করেছিল, ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ইসলামাবাদ গুঁড়িয়ে দিয়েছে। পরে ভারত সরকারের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (PIB) তাদের ভুল তথ্যের জন্য চাপে ফেলে, এবং তারা ভুল স্বীকার করতে বাধ্য হয়।

এছাড়া পহেলগাঁওর বৈসরন উপত্যকায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হামলার পর, তদন্তে উঠে আসে চীনের তৈরি একটি নিষিদ্ধ হুয়াওয়ে স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহারের তথ্য। ভারতীয় সেনার রাডারে ধরা পড়লেও, পরবর্তীতে সেই ডিভাইস আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

যদিও এত কিছুর পরও চীন ও পাকিস্তানের সম্পর্ক যে অটুট, তা স্পষ্ট হয়েছে সংঘর্ষবিরতির পর। চীনা বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিনিধিরা পাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। ইসলামাবাদ কাশ্মীর ইস্যুতে আবারও সুর চড়ায় এবং হুঁশিয়ারি দেয়—“আমরা শান্তি চাই, তবে যুদ্ধেও প্রস্তুত।”

জেনিভার নিলামে ঝলসে উঠল ‘মেডিটেরেনিয়ান ব্লু’, ১০ ক্যারাটের হিরের দাম ১৮৪ কোটি!

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *