অতীতের স্মৃতি মুছে নতুন পথে পলাশ!
এক সময় যাঁর কাছে স্মৃতি মন্ধানা শুধু নাম নয়, ছিল জীবনের কেন্দ্রবিন্দু—আজ সেই ‘স্মৃতি’কেই নিজের জীবন থেকে সরিয়ে ফেলতে চাইছেন পলাশ মুচ্ছল। দীর্ঘ টানাপড়েন, অভিযোগ আর ব্যক্তিগত আঘাতের পরে অবশেষে নতুন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইছেন সুরকার-পরিচালক। খবর, আবারও ছবি পরিচালনার কাজে মন দিচ্ছেন পলাশ। তবে অতীত যেন পিছু ছাড়ছে না।
সম্প্রতি নিজের নতুন কাজের কথা প্রকাশ্যে আনতেই বিতর্কের আগুনে ঘি পড়ে। স্মৃতির এক বন্ধুর তরফে পলাশের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণা-সহ একাধিক অভিযোগ তোলা হয়। সেই ঘটনার পরই কঠিন সিদ্ধান্ত নিলেন পলাশ—স্মৃতির সঙ্গে সম্পর্কের সমস্ত রেশ একেবারে ছিন্ন করার।
এই সম্পর্কের ভাঙন শুরু হয়েছিল বিয়ের দিনেই। গায়েহলুদের আনন্দের পর বিয়ের সকালে সব কিছু এলোমেলো হয়ে যায়। বিয়ের কয়েক ঘণ্টা আগে আচমকাই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন স্মৃতির বাবা। সেই মুহূর্তে পাশে ছিলেন পলাশও। কিন্তু ওই ঘটনার পর থেকেই সম্পর্ক নিয়ে একের পর এক অভিযোগ উঠতে শুরু করে। দীর্ঘ জলঘোলার শেষে সেই বিয়ে থেকে বেরিয়ে আসেন বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার স্মৃতি মন্ধানা।
এর পরের সময়টা পলাশের জীবনে ছিল সবচেয়ে কঠিন অধ্যায়। সমাজমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে কার্যত একঘরে হয়ে পড়েন তিনি। অভিযোগ, কটূক্তি আর সমালোচনার মাঝে কিছুদিন সব কিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন পলাশ। কাজ থেকেও দূরে ছিলেন তিনি।
কিছুদিন আগে ফের নিজের পেশাগত জীবনের কথা সামনে আনতেই আবার আলোচনায় ফিরে আসেন সুরকার। তখনও তাঁর সমাজমাধ্যমের প্রোফাইল জুড়ে ছিল স্মৃতির উপস্থিতি। কোথাও জন্মদিনের মুহূর্ত, কোথাও প্রেম প্রস্তাবের ছবি—সব মিলিয়ে অতীত যেন আঁকড়ে ছিল বর্তমানকে।
কিন্তু এবার সেই অধ্যায়ে ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিলেন পলাশ। নিজের সমাজমাধ্যম থেকে স্মৃতির সঙ্গে কাটানো সমস্ত ছবি সরিয়ে দিয়েছেন তিনি। অনেকের কাছেই এই পদক্ষেপ স্পষ্ট ইঙ্গিত—অতীতের সম্পর্ককে চিরতরে পিছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা।
এখন প্রশ্ন একটাই—এটাই কি পলাশের নতুন শুরুর বার্তা? অতীতের স্মৃতি সরিয়ে তিনি কি আবার নিজের কাজ, নিজের পরিচয়ে ফিরে আসতে পারবেন? উত্তর সময়ই দেবে। আপাতত তাঁর এই সিদ্ধান্ত বলছে, পলাশ আর পিছন ফিরে তাকাতে চান না।
বেজিঙে অস্বস্তির ঝড়: শি জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধেই পরমাণু গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ