রোল-বিরিয়ানি খাওয়া শেষ, বাকি শুধু টকজলের ফুচকা! বন্ধুদের সঙ্গে পুজোয় মেতে ঋতাভরী

বন্ধুদের সঙ্গে পুজোয় মেতে ঋতাভরী! বহু বছর পর এ বার বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সঙ্গে চুটিয়ে দুর্গাপুজো কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। ঠাকুর দেখা, রাতভর ঘোরাঘুরি, আড্ডা আর জমিয়ে খাওয়াদাওয়া— সব মিলিয়ে…

October 18, 2026
1 min read

বন্ধুদের সঙ্গে পুজোয় মেতে ঋতাভরী!

বহু বছর পর এ বার বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সঙ্গে চুটিয়ে দুর্গাপুজো কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। ঠাকুর দেখা, রাতভর ঘোরাঘুরি, আড্ডা আর জমিয়ে খাওয়াদাওয়া— সব মিলিয়ে পুজোর দিনগুলি উপভোগ করছেন তিনি। মুম্বই থেকে কলকাতায় এসেছেন তাঁর প্রেমিক সুমিতও। রয়েছে পরিবারের ছোট্ট সদস্যকে দেখা এবং দিদি চিত্রাঙ্গদার বাড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনাও।

বন্ধুদের সঙ্গে রাতভর ঠাকুর দেখা

ঋতাভরীর কথায়, এ বার অনেক দিন পর বন্ধুরা একসঙ্গে দল বেঁধে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছেন। সুমিত এসেছেন মুম্বই থেকে, আবার তাঁর এক বন্ধু দুবাই থেকেও কলকাতায় এসেছেন। ষষ্ঠীর রাতেই ঠাকুর দেখার পালা শুরু হয়ে গিয়েছিল। বাদামতলা থেকে সল্টলেক— বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছেন তাঁরা। মেলায় গিয়ে বন্দুক দিয়ে বেলুন ফাটানোর মজাও করেছেন।

পুজোর আড্ডায় বিশেষ জায়গা রয়েছে বাগবাজার সর্বজনীনের। প্রতি বছরই সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করেন অভিনেত্রী। এ বারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। অভিনেতা শুভ্রজিৎ দত্তকে ‘টুলুদা’ বলে ডাকেন ঋতাভরী। তাঁকে নিজের দাদার মতোই ভালোবাসেন তিনি, এমনকি রাখিও পরান। পুজোয় একসঙ্গে ঘোরার পরিকল্পনাও করেছিলেন দু’জনে।

ভোগ থেকে কষা মাংস, পুজোয় ডায়েটের ছুটি!

পুজো মানেই বাঙালির খাওয়াদাওয়া। ঋতাভরীর ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি। সপ্তমীর দুপুরে পরিবারের সঙ্গে ভোগ খেয়েছেন তিনি। সেই ভোগের আয়োজনেও হাত লাগিয়েছিলেন ঋতাভরী ও সুমিত। সেখানে হাজির ছিলেন টুলুদাও।

অভিনেত্রীর কথায়, পুজোর কয়েক দিন ডায়েটের কথা ভাবতেই চান না তিনি। খাবারের তালিকাও তৈরি করে রেখেছেন বন্ধুরা। চিকেন রোল ও মটন বিরিয়ানি খাওয়া হয়ে গিয়েছে। লুচি, কষা মাংস এবং ভোগ খাওয়াও রয়েছে পরিকল্পনায়। তবে সবচেয়ে বেশি অপেক্ষা যেন কালো টকজল দেওয়া ফুচকার জন্য! সেই স্বাদ এখনও ঠিক করে উপভোগ করা হয়নি।

নতুন মাসির পুজো, নবমীতে বিশেষ পরিকল্পনা

এ বার ঋতাভরীর পুজো আরও বিশেষ, কারণ তিনি নতুন মাসি হয়েছেন। তাঁর জামাইবাবুর বাড়িতে পুজো হয়। নবমীর দিন সেখানে খাওয়াদাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবারের ছ’মাসের ছোট্ট সদস্যকে নতুন পাজামা-পাঞ্জাবি পরে সবার সঙ্গে বসে খেতে দেখার অপেক্ষাতেও রয়েছেন অভিনেত্রী।

দশমীতে সিঁদুর খেলায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। তবে পুজোর সময়ে বড় বড় মেলায় যাওয়া এবং নাগরদোলায় চড়ার দিনগুলি খুব মনে পড়ে ঋতাভরীর। পুরনো সেই আনন্দের স্মৃতি এখনও তাঁকে টানে।

মায়ের কাছে কী চাইলেন ঋতাভরী?

পুজোয় দেবীর কাছে নিজের মনের ইচ্ছের কথাও জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তবে কী প্রার্থনা করেছেন, তা এখনই প্রকাশ্যে আনতে চান না তিনি। ঋতাভরীর কথায়, ইচ্ছের কথা আগে বলে দিলে যদি তা পূরণ না হয়! তবে মায়ের কাছে চাওয়া পূরণ হলে প্রথমেই সেই সুখবর সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

আপাতত ঋতাভরীর পুজোর মন্ত্র একটাই— বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো আর পছন্দের খাবারে জমিয়ে আনন্দ করা।

রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।

Follow us on Google News Get real-time updates & exclusive sports coverage
Follow

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *