নানা পটেকরের জন্য পাকিস্তান থেকে আবেগঘন বার্তা!!
নানা পটেকরকে ঘিরে স্মৃতিচারণ করছেন তাঁর বন্ধু, সহকর্মী ও অনুরাগীরা। এ বার বর্ষীয়ান অভিনেতাকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতি ভাগ করে নিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার বাসিত আলি। মায়ের অসুস্থতা থেকে মৃত্যু—জীবনের কঠিন সময়ে নানা কী ভাবে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, সেই অভিজ্ঞতার কথা জানালেন তিনি।
বাসিতের সঙ্গে নানার পরিচয় ১৯৯৪ সালে। দুই দেশের বাসিন্দা, পেশাও আলাদা। কিন্তু সেই ভৌগোলিক দূরত্ব তাঁদের বন্ধুত্বে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। বাসিতের কথায়, দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের যোগাযোগ ছিল অটুট। মাসে এক বা দু’বার ফোনে কথা হত দু’জনের। সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে।
নানার সঙ্গে কাটানো দিনের কথা বলতে গিয়ে বাসিত জানান, তাঁর মা হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময় নিয়মিত খোঁজ নিতেন অভিনেতা। মায়ের অসুস্থতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পাশাপাশি কঠিন পরিস্থিতিতে বন্ধুর পাশে থাকার চেষ্টা করতেন তিনি। মায়ের মৃত্যুর পরেও বাসিতকে একা বোধ করতে দেননি নানা। নিজের শরীর ও মনের যত্ন নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছিলেন।
বাসিতের কথায়, “মায়ের অসুস্থতার সময়ে নানা নিয়মিত খোঁজ নিতেন। মায়ের মৃত্যুর পরেও আমার পাশে ছিলেন।” বন্ধুর এই আন্তরিকতা আজও ভুলতে পারেননি তিনি। নানার ব্যক্তিত্বের কথা বলতে গিয়ে বাসিত তাঁকে ‘অসাধারণ একজন মানুষ’ বলেও উল্লেখ করেছেন।
শুধু পারিবারিক শোকের সময়েই নয়, বাসিতের নিজের শারীরিক অসুস্থতার পরেও তাঁর খোঁজখবর নিতেন নানা। হৃদ্যন্ত্রের চিকিৎসার পর বন্ধুর স্বাস্থ্যের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতেন অভিনেতা। বাসিতের স্মৃতিতে, নানা পটেকর ছিলেন এমন এক মানুষ, যিনি সম্পর্কের ক্ষেত্রে আন্তরিকতা ও মানবিকতাকে গুরুত্ব দিতেন।
নানার মৃত্যুতে চলচ্চিত্রজগতে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। তাঁর অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নানা অভিজ্ঞতাও সামনে আসছে। বাসিত আলির এই স্মৃতিচারণ আরও এক বার তুলে ধরল, পর্দার বাইরেও নানা পটেকর কতটা গভীর ভাবে মানুষের জীবনে জায়গা করে নিয়েছিলেন।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।