৬৭ মিনিটেই রোনাল্ডোকে তুলে নিলেন জেসুস!
দেশের জার্সিতে নেশনস লিগের ম্যাচে নিজের সেরা ছন্দে দেখা গেল না ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে। ওয়েলসের বিরুদ্ধে শুরু থেকে খেললেও ৬৭ মিনিটেই তাঁকে তুলে নেন পর্তুগালের নতুন কোচ জর্জ জেসুস। ম্যাচের পরে অবশ্য রোনাল্ডোর পারফরম্যান্স নিয়ে কোনও সমালোচনার পথে হাঁটেননি কোচ। বরং কেন তাঁকে আগেই তুলে নেওয়া হয়েছিল, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন জেসুস।
জেসুসের যুক্তি, ৪১ বছর বয়সি রোনাল্ডোর পক্ষে টানা ৯০ মিনিট খেলা এখন আগের মতো সহজ নয়। সামনে একাধিক ম্যাচ থাকায় তাঁকে হিসাব করে ব্যবহার করাই দলের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
ম্যাচের পর জেসুস বলেন, ‘‘আমি ওর সঙ্গে কথা বলেছি। ও প্রায় ৬৫ মিনিট খেলেছে। শুরু থেকে খেলুক বা পরিবর্ত হিসাবে নামুক, পুরো ৯০ মিনিট খেলা কঠিন। ক্রিশ্চিয়ানো তো ২০ বছরের জোয়াও নেভেস নয়, যে তিন দিনের মধ্যে দুটো ম্যাচ খেলে ফেলবে। ওকে আমাদের প্রয়োজন। কিন্তু ওকে বুদ্ধি করে খেলাতে হবে।’’
রোনাল্ডোকে শুধু একজন ফরোয়ার্ড হিসেবে দেখছেন না জেসুস। দলের মধ্যে তাঁর উপস্থিতি এবং প্রভাবকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্তুগালের কোচ। তাঁর মতে, সতীর্থদের উপরেও রোনাল্ডোর উপস্থিতির আলাদা প্রভাব রয়েছে।
জেসুস বলেন, ‘‘ক্রিশ্চিয়ানো দলের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়। সকলেই ওকে শ্রদ্ধা করে, ভালবাসে। ওকে দেখে সবাই ভাল খেলার চেষ্টা করে। আপনি বিশ্বের যেখানেই যান, রোনাল্ডোর নামে জয়ধ্বনি শুনবেন।’’
ওয়েলসের বিরুদ্ধে ম্যাচেও রোনাল্ডোর একটি গোল বাতিল হয়েছিল। পরে অবশ্য জোয়াও ফেলিক্সের গোলে জয় নিশ্চিত করে পর্তুগাল। দ্বিতীয়ার্ধে ওয়েলস একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলি কাজে লাগাতে পারেনি।
ম্যাচের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলেছেন রোনাল্ডো। আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে সরে যাবেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা জানাননি তিনি। বরং বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নিয়েও ভাবছেন বলে জানিয়েছেন।
রোনাল্ডোর কথায়, ‘‘হ্যাঁ, আমি সব সময় আমার ভবিষ্যতের কথা ভাবি। সেই সঙ্গে বর্তমানের কথাও ভাবি। নিজের সিদ্ধান্ত আমি নিজেই নিই। এখানে খেলছি। তার মানে আমি আপাতত খেলা চালিয়ে যাব।’’
অর্থাৎ বয়স বাড়লেও পর্তুগালের পরিকল্পনায় রোনাল্ডোর গুরুত্ব কমছে না। তবে জেসুসের কথায় ইঙ্গিত স্পষ্ট—আগের মতো প্রতিটি ম্যাচে পুরো সময় মাঠে রাখার বদলে রোনাল্ডোর অভিজ্ঞতা ও শক্তিকে দীর্ঘ মরসুমে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিই এখন কোচের অন্যতম ভাবনা।
রাহার জন্মের পর দ্রুত ওজন কমিয়ে কটাক্ষের শিকার আলিয়া, কী ছিল তাঁর রহস্য?।